অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে ধর্ষণ মামলার বিচার ৬ মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ


বাংলাদেশে নারী ধর্ষণ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ৬ মাসের মধ্যে বিচারকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে হাইকোর্ট থেকে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য- চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে ৬৩০ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ সময় ধর্ষণের পর ৩৭ জন নারীকে হত্যা করা হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী মামলাগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য আদালত থেকে ৬ দফা নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা পৃথক তিনটি মামলায় আসামীদের জামিন আবেদনের শুনানিকালে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। এতে বলা হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ২০ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন মামলার শুনানি শুরু হলে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত একটানা মামলা পরিচালনা করতে হবে। মামলার ধার্য তারিখে সাক্ষীর উপস্থিতি ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিভিল সার্জনের একজন করে প্রতিনিধি সমন্বয়ে একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করার কথা বলা হয়েছে নির্দেশনায়।

ধার্য তারিখে রাষ্ট্রপক্ষ সঙ্গত কারণ ছাড়া সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করতে ব্যর্থ হলে মনিটরিং কমিটিকে জবাবদিহি করতে হবে। সমন পাওয়ার পর অফিসিয়াল সাক্ষী, যেমন- ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, ডাক্তার বা অন্যান্য বিশেষজ্ঞ সন্তোষজনক কারণ ছাড়া সাক্ষ্য প্রদানে উপস্থিত না হলে ট্রাইব্যুনাল ঐ সাক্ষীর বিরুদ্ধে বেতন বন্ধসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করতে পারবে। আদালতের তরফে দেয়া অভিমতে বলা হয়, অবিলম্বে সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা জরুরি। আদালতের এই নির্দেশনা সম্পর্কে সিনিয়র আইনজীবী খুরশিদ আলম খান বলেন, এর একটি ইতিবাচক দিক রয়েছে। তবে আমাদের দেশের বাস্তবতায় এটা কার্যকর করা কঠিন।

please wait

No media source currently available

0:00 0:02:04 0:00
সরাসরি লিংক

XS
SM
MD
LG