অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিএনপি'র সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে নির্বাচন কমিশনকে হাইকোর্টের নির্দেশ


বাংলাদেশে বিএনপি'র সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এই আদেশের ফলে দলটির কারাবন্দি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পদে থাকতে পারবেন কি-না তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বিএনপি'র গঠনতন্ত্রের ৭ ধারায় বিধান ছিল, দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তি দলের কোন পর্যায়ের কমিটির সদস্য বা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। পরে গঠনতন্ত্রের এ বিধানটি বাতিল করে দেয়া হয়। নয় মাস আগে বিএনপি সংশোধিত গঠনতন্ত্র নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়। এই গঠনতন্ত্র চ্যালেঞ্জ করে মঙ্গলবার ইসিতে আবেদন করেন মোজাম্মেল হোসেন নামে কথিত এক বিএনপি কর্মী। সে আবেদন এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এ অবস্থায় হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন মোজাম্মেল হোসেন। হাইকোর্ট প্রাথমিক শুনানি গ্রহণ করে মোজাম্মেল হোসেনের আবেদনটি ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে আবেদনটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি'র সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে বলেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

পাশাপাশি আদালত রুলও জারি করেছেন। রুলে বিএনপি'র গঠনতন্ত্রে আনা সংশোধনী কেন বেআইনি ও সংবিধান পরিপন্থী হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। চার সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় সরকার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এই রুল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, যে ব্যক্তি রিট পিটিশন করেছেন তার এই রিট পিটিশন করার এখতিয়ার নেই। একটি রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্র এখানে রিট পিটিশন মেইন্টেবল না। এখানে বিএনপির লোকজনকে পক্ষ করা হয়নি। বিএনপি'র অথরিটিকে পক্ষ করা হয়নি। তাছাড়া এটাতো শেষ আদেশ নয়। এরপর আপিল আছে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:00:54 0:00

XS
SM
MD
LG