অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রোহিঙ্গা সঙ্কটে যৌথ অপারেশনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ



বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে কড়া নজরদারি সত্ত্বেও রোহিঙ্গাদের কাফেলা থামেনি। দলে দলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। সোমবার ১৬১ জনকে পুশব্যাক করা হলেও কয়েক হাজার রোহিঙ্গা সীমান্তে বাংলাদেশে প্রবেশে প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী পাইকারি গুলিবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। এ পর্যন্ত ১০৪ জন রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অনেকেই বাংলাদেশে আশ্রয় খুঁজছেন। ইতিমধ্যেই রাখাইনে গুলিবিদ্ধ ও অগ্নিদগ্ধ ৯ জন রোহিঙ্গাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে ঢাকাস্থ মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র দপ্তরে তলব করে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যৌথ অপারেশনের প্রস্তাবও দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দু’দেশের নিরাপত্তা বাহিনী, ইসলামিক মিলিট্যান্ট, আরাকান আর্মি ও অন্য যে কোন শক্তির বিরুদ্ধে একই সঙ্গে কাজ করবে। বেঙ্গলি টেরোরিস্ট শব্দেরও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। বলেছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনী এই শব্দ ব্যবহার করছে যত্রতত্র। ভবিষ্যতে এই শব্দ যাতে ব্যবহার করা না হয় সে জন্য মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশের আপত্তির কথা জানানো হয়েছে।
ওদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এহসানুল হক মনে করেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত হবে। কারণ রোহিঙ্গারা নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
শেষ খবর হচ্ছেÑ শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এ পর্যন্ত ১০ হাজার মানুষ ঘর-বাড়ি ছাড়া হয়েছেন। অনেক মসজিদ-মাদ্রাসা জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে।


XS
SM
MD
LG