অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চীনের বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশী ছাত্রদের বর্তমান পরিস্থিতি


চীনে করনাভাইরাসের আতঙ্কে রয়েছে চীনের নাগরিক সহ সেখানে বসবাসরত বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা।প্রতিদিন মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। বাড়ছে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যাও। শহরে যানবাহন চলাচল সীমিত করা হয়েছে। খুব জরুরী না হলে বাড়ির বাইরে বের হতে নিষেধ করছে চীনের কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা ভয়েস অফ আমেরিকাকে জানান সতর্কতামুলক পদক্ষেপ নিয়েছে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মাস্ক প্রদান করা হয়েছে এবং ছিটানো হচ্ছে প্রতিরোধক স্প্রে।

চীনের সাংহাই এ পিএচডি করছেন শিপন হুসেন। তিনি ২০১৯ সালে চীন সরকার প্রদত্ত স্কলারশিপে সেখানে পড়তে যান। তিনি জানান, জানুয়ারির ১৫ তারিখের পর থেকে তারা গৃহবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। সাংহাই এ এখন পর্যন্ত ৬৬জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং একজন মারা গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জনবহুল স্থান এড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে। তার বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট দশজন বাংলাদেশী শিক্ষার্থী রয়েছেন।

চীনের নাঞ্চিং শহরে রয়েছেন সাইয়িদুল ইসলাম। তিনি জানান, তার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের চলাফেরায় বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে তারা তাদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার জন্য বাইরে বের হতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে খাবার বিতরন করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের মাঝে। সাইয়িদুল ইসলাম জানান তিনি বাংলাদেশ দূতাবাসের কয়েকজন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। তারা উহানে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য হটলাইন নম্বর খোলা হয়েছে। এবং সে নম্বরে তারা কল করে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা জানাতে পারছেন। সাইয়িদুল আরও জানান, চীনে বাংলাদেশ দূতাবাস একটি ফর্ম বিতরন করছেন যার ওপর ভিত্তি করে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। ঐ তালিকা অনুযায়ী আটকে পড়া বাংলাদেশীদের দেশে ফেরত নেয়া হবে।

উহানের হুবেই ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজিতে পড়াশুনা করছেন ইউসুফ আবদুল্লাহ। তিনি চার বছর ধরে ঐ ইউনিভার্সিটিতে পড়ছেন। তিনি জানান সেখানে বাংলাদেশী ২৬জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। প্রতিদিনের কার্যাবলী স্থগিত হয়ে গিয়েছে। খাবারের স্বল্পতা রয়েছে যেহেতু দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি জানান দূতাবাসের কর্মকর্তারা প্রতিদিন তাদের খবরাখবর নিচ্ছেন।

আপাতত এই শিক্ষার্থীরা অপেক্ষায় রয়েছেন দূতাবাসের পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য।

চীনের বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশী ছাত্রদের বর্তমান পরিস্থিতি
please wait

No media source currently available

0:00 0:07:03 0:00

XS
SM
MD
LG