অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সরকারি প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করলেন খালেদা জিয়া


কারা অভ্যন্তরে আদালত বসিয়ে বিচারে আপত্তি জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। তারা বলছেন, এটা সংবিধান পরিপন্থি। সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যে কোন বিচার হতে হবে উন্মুক্তভাবে। কারাগারের একটি কক্ষে খোলামেলা বিচার হতে পারে না। এ সম্পর্কে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দাখিল করা হয়েছে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রিটের পক্ষে বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধিতে বলা আছে কোথায় কোথায় আদালত বসবে। যেহেতু সকল ফৌজদারি মামলার বিচার কার্য পরিচালিত হয় ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী। তাই ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আদালত বসার কথা। সেখানে কোথাও বলা নেই যে, কারা অভ্যন্তরে আদালত স্থাপন করা যাবে। সুতরাং সংবিধান ও ফৌজদারি আইনের বিরুদ্ধে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা পুরোপুরি বেআইনী।


গত ১২ই মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী খালেদা জিয়ার মামলার শুনানির জন্য বিশেষ জজ আদালত-৯-এর অস্থায়ী এজলাশ পুরাতন ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সরিয়ে কেরানীগঞ্জে নেয়া হয়। ওই আদালতে গত ১৯শে মে নাইকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল।

খালেদা জিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় ওই দিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি। আগামী ৩০শে মে মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে। গত ২১শে মে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালত স্থানান্তরের প্রজ্ঞাপন বাতিল চেয়ে আইন সচিব বরাবর আইনী নোটিশ পাঠান খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। নোটিশের কোন জবাব না পেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দাখিল করা হয়। আগামীকাল সোমবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। উল্লেখ্য যে, দুটি দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া গত বছরের ৮ই ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে রয়েছেন।

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:09 0:00

XS
SM
MD
LG