অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিচারাধীন থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়ার জামিনের আপিল আবেদন গৃহীত হয়েছে


জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজার বিরুদ্ধে করা খালেদা জিয়ার আপিল আমলে নিয়েছেন আদালত। আগামী রোববার এ বিষয়ে শুনানি হবে। আদালত অবশ্য একই সময়ে মামলার বিচারিক আদালতে খালেদা জিয়াকে দেয়া জরিমানার আদেশও স্থগিত করেছেন। বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি শহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি শেষে এ মামলায় বিচারিক আদালতের নথিও তলব করা হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ওই নথি হাইকোর্টে পাঠাতে সংশ্লিষ্ট আদালতকে নির্দেশ দেয়া হয়। আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদন আগামী রোববার শুনানির জন্য রাখা হয়েছে।

আপিলে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা ৪৪টি পয়েন্ট তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে খালেদার বক্তব্য ভুলভাবে রায়ে সন্নিবেশিত করা। এ মামলার মূল নথিও ছিলো না। সর্বোপরি কুয়েত সরকারের দেয়া চিঠি আমলে না নেয়া। এ সম্পর্কে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বলেন, একজন বিচারক কিভাবে ভুল তথ্যের ওপর বিচার করলেন। তা কারো কাছে বোধ্য নয়।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী এ, জে, মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ একদল আইনজীবী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশিদ আলম খান।

স্মরণ করা যায় যে, গত ৮ই ফেব্রুয়ারি বিশেষ জজ আদালত এই মামলার রায় দেন। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দুর্নীতির জন্য ৫ বছরের সাজা এবং তারেক রহমানসহ অপর ৫ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছরের কারাদ- দেয়া হয়। একই সাথে বাকি আসামির সবাইকে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। রায় ঘোষণার পর পরই বেগম খালেদা জিয়াকে নাজিম উদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর থেকে তিনি সেখানেই রয়েছেন।

please wait

No media source currently available

0:00 0:02:02 0:00

XS
SM
MD
LG