অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিমসটেকের নিরাপত্তা সংলাপে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব পেয়েছে রোহিঙ্গা সমস্যা


বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল, ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে গঠিত বিমসটেক-এর নিরাপত্তা সংলাপ ঢাকা জুড়েই ছিল রোহিঙ্গা সমস্যা। এছাড়া নন-ট্র্যাডিশনাল নিরাপত্তা হুমকি, সাইবার নিরাপত্তা, ট্রান্স-ন্যাশনাল ক্রাইমস নিয়েও কর্মকর্তারা আলোচনা করেছেন দু’দিনের এ সংলাপে। অবৈধ ব্যবসা, অস্ত্র, মাদক ও মানব পাচারও ছিল মূল আলোচ্যসূচীতে।

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের সংলাপ ছিল খোলামেলা। দ্বিতীয় দিন সংলাপ হয় রুদ্ধদ্বার কক্ষে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক বলেন, রোহিঙ্গাদের দেশত্যাগ এশীয় দেশগুলোর জন্য বড় ধরনের এক হুমকি। বাংলাদেশে মিয়ানমারের ১১ লাখেরও বেশি উদ্বাস্তু রয়েছে। এরা ভবিষ্যতে শুধু বাংলাদেশের জন্যই না বরং এশিয়া অঞ্চলে অনেক দেশের নিরাপত্তার জন্যই হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। নিরাপত্তা সংলাপে রোহিঙ্গারা কিভাবে ফিরে যাবে তা নিয়েই মতামত দেন বিমসটেক-এর সদস্যরা।

দ্বিতীয় দিনের সংলাপে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। তিনি এই সংবাদদাতাকে বলেন, কোনো একক দেশ সন্ত্রাসবাদ বা সাইবার ক্রাইম জাতীয় দুর্যোগের সমাধান করতে পারবে না।

বিভিন্ন নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা তুলে ধরে নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক বলেন, বিশ্বের বর্তমান চিত্র সহযোগিতামূলক, নিরাপত্তা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের উপযুক্ত উপায়। সহযোগিতামূলক নিরাপত্তার ধারণাটি হচ্ছে বিভিন্ন দেশের মধ্যে অভিন্ন কিছু ঝুঁকি যেমন রয়েছে, তার চেয়ে বেশি রয়েছে অভিন্ন স্বার্থ।

বিমসটেক-এর মহাপরিচালক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ছিলেন এই সংলাপের অন্যতম বক্তা।

please wait

No media source currently available

0:00 0:02:02 0:00
সরাসরি লিংক


XS
SM
MD
LG