অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

দারিদ্রের কষাঘাতে শিশু শ্রম বন্ধ করা কঠিনআইন থাকা সত্বেও


দারিদ্রের অভিশাপ থেকে রক্ষা পেতে মানুষ শহর মুখি হয়। তবে নিম্নবিত্তের ক্ষেত্রে তা অনেক বেশী। ঢাকা শহরে বিভিন্ন ওয়ার্কশপ, গ্যারেজ ও দোকানে ছোট ছোট ছেলেদের কাজ করতে দেখা যায়।

বার বছরের তানভীর যে বয়সে তার লেখা পড়া করার কথা, তখন সে কাজের খোজে পাড়ি দেয় শহরে। কাজ নেয় ঝুঁকিপূর্ণ ড্রিল ও গ্রাইন্ডিং মেশিনে। অথচ এই বয়সে তার পড়াশোনা করার কথা, বন্ধুদের সাথে খেলা ধুলা করার কথা।
ছোট্ট রনি, সাত ভাই এক বোনের সংসার । অভাব তাদের সংসারে আষ্টেপিষ্টে ধরে আছে। ছোট্ট একটি খাবারের দোকানে কাজ করে যা পায়, তা থেকে নিজে চলে, বাকী টাকা বাড়িতে পাঠায়। সারা দিন কাজের শেষে যখন একটু খেলতে মন চায় তখন ক্লান্ত শরীর আর চলেনা।

দারিদ্রের কষাঘাতে শিশু শ্রম বন্ধ করা কঠিন আইন থাকা সত্বেও
please wait

No media source currently available

0:00 0:04:26 0:00


মিজানের বয়স বড় জোর সাত আট বছর হবে। নেই কোন পড়া শোনার ইচ্ছা। শুধু বেঁচে থাকার তাগিদেই শহর মুখি হওয়া। তার মাঝেও স্বপ্ন দেখে একদিন বড় হয়ে যে দোকানে কাজ করে তেমনি একটি দোকানের মালিক হবে।
এদের মত এমন অনেক শিশু আছে যারা ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন কাজ করে। যখন দু’বেলা দু’মুঠো ভাত জোটে না তখন পড়াশোনা তাদের জন্য স্বপ্নের মতই। দারিদ্রের কষাঘাতে যতই আইন করা হোকনা কেন এমন শিশু শ্রম বন্ধ করা কঠিন। যে বয়সে একটি শিশুর স্কুলে যাওয়ার কথা সে বয়সে শিশু কলমের বদলে হাতে তুলে নিচ্ছে হাতুড়ি বাটালি।
ঢাকা থেকে নাসরিন হুদা বিথী, ঢাকা থে

XS
SM
MD
LG