অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চট্টগ্রামে হোম কোয়ারেন্টাইমে ১৪৮৬:সংকট হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ ভাইরাস প্রতিষেধকের


কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বৃহত্তর চট্টগ্রামে ১হাজার ৪৮৬জনকে রাখা হয়েছে হোম কোয়ারেইন্টামে। এরমধ্যে সবোর্চ্চ চাঁদপুরে। এদিকে করোনা ভাইরাস অতংকে চট্টগ্রামের বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ সংক্রামন ভাইরাস প্রতিষেধক।

স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী বুধবার দুপুর পর্যন্ত বৃহত্তর চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ১৪শ ৮৬জনকে রাখা হয়েছে হোম কোয়ারেন্টাইনে। এরমধ্যে সবোর্চ্চ চাঁদপুরে এক হাজার ৬জন। এর পরেই আছে কুমিল্লায় ১৭৭জনকে। চট্টগ্রামে ৯১জন। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ায় গণসচেতনতা বাড়াতে স্বাস্থ্য দফতরের কর্মকর্তাদের বৈঠকে জানানো হয় এমন তথ্য। সিটি কর্পোরেশন মিলনায়তনে আয়োজিত এই বৈঠকে চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা.হাসান শাহরিয়ার কবির।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকে সমন্বিত ভাবে কাজ করার আহবান জানান চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

এদিকে করোনা ভাইরাস আতংকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পাইকারী ও খুচরা ওষধের বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে হ্যান্ড স্যানিটাজারসহ সংক্রামন ব্যাধির প্রতিষেধক।

দোকানীদের অভিযোগ, বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন উৎপাদানকারী বিভিন্ন কোম্পানী সংক্রামন ব্যাধি প্রতিরোধক ওষধ বাজারজাত না করে কৃত্রিম সংকট তৈরী করছে। চাহিদা অনুযায়ী হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ সংক্রামন ব্যাধি প্রতিরোধক ওষধসহ বিভিন্ন সরঞ্জামের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সরকারি পর্যায়ে আরো প্রচারনা বাড়ানো দাবি সাধারণ মানুষের। আতংকিত না হয়ে গণসচতেনতা তৈরীসহ সরকারকে আরো উদ্যোগী হওয়ার দাবি সাধারণ মানুষের।

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি হাসান ফেরদৌসের প্রতিবেদন।

XS
SM
MD
LG