অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

অ্যাসিড ছোঁড়ার ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে


মেয়েদের ওপর অ্যাসিড ছোঁড়ার ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। যে কোনও কারণে কোনও মেয়েকে শিক্ষা দিতে তার মুখে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারা হয়।

কারও মুখ সারা জীবনের মতো বিকৃত করে দিতে অ্যাসিডের জুড়ি নেই। ১৩ বছর আগে দিল্লির মেয়ে লক্ষ্মী আগরওয়ালের যেমন হয়েছিল। একটা বদ ছেলে তাকে অনুসরণ করতো, কিন্তু প্রশ্রয় না পেয়ে রাগে সে লক্ষ্মীর মুখে অ্যাসিড ছোঁড়ে। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর। সুন্দর মুখটি বিকৃত হয়ে গেল, কিন্তু লক্ষ্মী হার মানেননি। সেই থেকে তিনি দুনিয়ার সব অ্যাসিড আক্রান্তের পাশে দাঁড়ানোর পণ করেন। অক্লান্ত চেষ্টা করে যান এই অপরাধ বন্ধ করার। তিনি বলেন, কোন মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিতে অ্যাসিড একটা বড় অস্ত্র, কারণ এটা সহজলভ্য। সারা দেশে যে কোনও মুদির দোকানে অ্যাসিড কিনতে পাওয়া যায়। সেটা বন্ধ করতে পারলে এই অপরাধে রাশ টানা যাবে।

এই ব্রত নিয়ে তিনি আন্দোলন শুরু করেন stop sell acid. আজ তাঁর বয়স ২৮। বিয়ে হয়েছে, তিন বছরের একটি মেয়ের মা তিনি। ইতোমধ্যে সারা বিশ্বে অ্যাসিড আক্রান্তদের মুখ হিসেবে পরিচিত লক্ষ্মী হাজার কুড়ি স্বেচ্ছাসেবীকে তাঁর আন্দোলনে সামিল করতে পেরেছেন। অসাধারণ সাহসিকতার জন্য ২০১৪ সালে আমেরিকার তৎকালীন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা তাঁকে বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন। সেই বছরেই খোলা বাজারে অ্যাসিডের ক্রেতা ও বিক্রেতার নাম ঠিকানা নথিভুক্ত করতে নির্দেশ জারি করে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সরকার তেমন কড়াকড়ি না করায় সর্বত্র অ্যাসিড এখনও সহজে পাওয়া যায়।

সেই জন্যই পূর্ব ও উত্তর পূর্ব ভারতে stop sell acid আন্দোলন গড়ে তুলতে লক্ষ্মী আগরওয়াল এখন কলকাতায়।

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:15 0:00

XS
SM
MD
LG