অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

হ্যালো ওয়াশিংটন: বাংলাদেশে মাদক নির্মূল অভিযান ও মানবাধিকার লংঘন


হ্যালো ওয়াশিংটনের আজকের বিষয় হচ্ছে , বাংলাদেশে মাদক নির্মূল অভিযান ও মানবাধিকার লংঘন। বিষয়টির মধ্যে এক ধরণের আপাত বিরোধীতা রয়েছে। অনেকেই হয়ত প্রশ্ন করবেন যে মাদক নির্মূল অভিযানের মতো এমন একটা ভালো কাজের সঙ্গে মানবাধিকারের সম্পর্ক সাংঘর্ষিক হবে কেন ? আজকে আপনাদের জিজ্ঞাসা আর আমাদের জবাবের মধ্য দিয়েই এ সম্পর্কে বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা করবেন আমাদের প্যানেল সদস্যরা। আজ টেলিসম্মিলনী লাইনে আমাদের সঙ্গে ঢাকা থেকে যোগ দিয়েছেন , বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী , সুলতানা কামাল । আমাদের সঙ্গে আরও রয়েছেন নিউ ইয়র্ক থেকে প্রবীণ সাংবাদিক ও বিশ্লেষক সৈয়দ মোহামাদ্দুল্লাহ। জনাব সৈয়দ মোহামাদুল্লাহ , আপনাকে স্বাগতম।

মাদক দ্রব্য , বলাই বাহুল্য , ব্যক্তির , সমষ্টির , সমাজের , একটি প্রজন্মের এবং গোটা দেশের সর্বনাশের কারণ হতে পারে। বিশ্বব্যাপী মাদক দ্রব্যের সংক্রমণ বড় রকমের আশংকার কারণ হয়ে রয়েছে। একটি পুরো প্রজন্মকে নেশাগ্রস্ত করে , সভ্যতাকে ধ্বংস করা যায়। বাংলাদেশেও দিনে দিনে মাদকদ্রব্যের প্রচলন ও প্রভাব বাড়ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদক ব্যবসা নির্মূল করার আহবান জানিয়েছেন ঠিক তেমনি ভাবে, যেমন করে বাংলাদেশ সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করছে।

মাদক ব্যবসায়ী এবং চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান নিসন্দেহই প্রশংসনীয় ব্যাপার। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আমরা লক্ষ্য করছি যে পুলিশ ও র‍্যাবের গুলি চালনার ঘটনায় অনেকে নিহত হয়েছে। গত এক সপ্তায় এই নিহতের সংখ্যা ৪০ ছাড়িয়ে গেছে। মানবাধিকার কর্মিরা বলছেন , মাদক দ্রব্য নির্মূল করার অভিযানে , মানুষের প্রাণহানি গ্রহণযোগ্য নয়। অপরাধীর শাস্তি হওয়া উচিৎ কিন্তু অপরাধ প্রমাণের আগেই কারও প্রাণ নাশ সমর্থন করা যায় না। আলোচনার এই জায়গাটা খুব সুক্ষ, স্পর্শকাতর ওবটেই । অপরাধ দমন যেমন দরকার , তেমনি দরকার সকল মানুষের অধিকার সংরক্ষণ

আইন শৃংখলা বাহিনী বলছে বন্দুক যুদ্ধে , এই সব মাদক চোরাচালানকারী কিংবা মাদক ব্যবসায়িদের প্রাণ হানি ঘটেছে। কেউ কেউ এটাকে তথাকথিত বন্দুক যুদ্ধও বলছেন। যদিও এমন প্রমাণও রয়েছে যে এই সংঘর্ষে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যও আহত হয়েছেন।

please wait

No media source currently available

0:00 0:44:59 0:00

XS
SM
MD
LG