অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পররাষ্ট্র দপ্তরের মহাপরিদর্শককে বরখাস্ত করেছেন


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প গত রাতে পররাষ্ট্র দপ্তরের মহাপরিদর্শককে বরখাস্ত করেছেন। মধ্য রাতে স্টিভ লিনিকের এই বরখাস্ত হচ্ছে সরকারী নজরদারী ব্যক্তিদের অপসারণের সর্বসাম্প্রতিক ঘটনা। ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সেনেট ট্রাম্পের অভিশংসন প্রস্তাব নাকচ করে দেয়ার পর থেকে তিনি তিনজনকে বরখাস্ত করেছেন এবং অন্যান্যদের সমালোচনা করেছেন।

প্রেসিডেন্ট গত রাতে প্রতিনিধি পরিষদের স্পীকার ন্যান্সি পেলসিকে একটি চিঠিতে লেখেন যে লিনিকের প্রতি তাঁর এখন আর পূর্ণআস্থা নেই। পেলসি গতকালই এক বিবৃতিতে বলেন, সপ্তাহান্তের মধ্যরাতে পররাষ্ট্র দপ্তরের মহাপরিদর্শককে প্রেসিডেন্টের বরখাস্ত করাটা, আসলে দেশপ্রেমিক সরকারী কর্মচারিদের প্রতি তাঁর বিপজ্জনক প্রতিশোধ নেয়ার প্রবণতাকে বাড়িয়ে তুলেছে। এই সব দেশপ্রেমিক সরকারি কর্মকর্তারা আমেরিকান জনগণের পক্ষেই কাজ করেন। তিনি আরো বলেন যে, মহাপরিদর্শক লিনিক আইন এবং তাঁর শপথ অনুসরনে আমাদের সংবিধান ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য যে সম্মানজনক ভাবে কাজ করে যাচ্ছিলেন, তার জন্য তাঁকে শাস্তি দেয়া হলো।

প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান এলিয়ট এঙ্গেল এক বিবৃতিতে বলেন যে, তাঁর দপ্তর জানতে পেরেছে যে. পররাষ্ট্র বিভাগে মহাপরিদর্শকের দপ্তর, পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেও’র তদন্ত শুরু করেছিল। তিনি আরো বলেন যে, এরকম এক তদন্ত কাজের মাঝেই তাঁকে বরখাস্ত করার মানেই হচ্ছে, এটি প্রতিশোধ গ্রহণের বেআইনি কাজ। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা লিনিককে এই মহাপরিদর্শকরে পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিশংসন প্রক্রিয়ায় লিনিকের অংশগ্রহণ কেবল মাত্র কংগ্রেসের কয়েকটি কমিটিকে অবহিতকরণ এবং প্রেসিডেন্টের আইনজীবি রুডি জুলিয়ানির কাছ থেকে পাওয়া নথিপত্র সদস্যদের প্রদানের মধ্যেই সীমিত ছিল।

XS
SM
MD
LG