অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সর্বত্রই লুকিয়ে চলছে কচ্ছপ বিক্রি


আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও রাজ্যের প্রায় সর্বত্রই লুকিয়ে চলছে কচ্ছোপ বিক্রি, এবং চড়া দামে কচ্ছপের খোলস পাচারও হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারে। প্রথমে যাচ্ছে বাংলাদেশ এবং সেখান থেকে চোরাপথে চলে যাচ্ছে চিনে।

রাজ্যের হাওড়া জেলায় গত শনিবার ধুলাগড় থেকে এক আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের কয়েকজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। সেই পাচারকারীদের জেরা করেই উঠে আসে কচ্ছপের খোলস পাচারের এই তথ্য। প্রসঙ্গত বলা যেতে পারে গত শনিবার হাতেনাতে প্রমাণ পান সিআইডির আধিকারিকরা। পাচার হওয়ার পথে কয়েক হাজার কচ্ছপ উদ্ধার করল সিআইডি। গ্রেপ্তার হয় ওই পাচারচক্রের দুই পান্ডা-সহ চারজন। আর তাদের জেরা করেই এই অসময়ে বিপুল পরিমাণ কচ্ছপ পাচারের অন্তর্নিহিত কারণ জানতে পারে রাজ্য বনদপ্তর ও রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি।সিআইডি সূত্রে খবর, কচ্ছপগুলিকে প্রথমে রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার সীমান্তবর্তী বনগাঁ মহকুমা এলাকায় নিয়ে জড়ো করা হয়। সেখান থেকে ব্যবসায়ীদের হাত ধরে কচ্ছপগুলি বিভিন্ন বাজারে ছড়িয়ে যায়। সেগুলি বনগাঁর চোরাচালানকারীদের হাত ধরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশেও, বাংলাদেশ থেকে অন্য পাচারকারী দল সেগুলি নিয়ে যায় চিনে। গোয়েন্দাদের সূত্রে জানা গেছে বনগাঁ ও গাইঘাটা এলাকায় সংগঠিতভাবে কয়েকটি চক্র কচ্ছপের মাংস ও খোলস পাচারের কাজ করে। চীনে খোলস দিয়ে ওষুধ তৈরির পাশাপাশি রেস্তরাঁর খাবারেও ব্যবহার করা হয় বলে জানা গেছে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:03 0:00

XS
SM
MD
LG