অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

এবছর শান্তিনিকেতনে পৌষ মেলা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ


এবছর শান্তিনিকেতনে পৌষ মেলা হবে না বলে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও পৌষ মেলা হয় ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে, এখন সবে জুলাইয়ের শুরু, ছ'মাসের ওপর বাকি। তবে মেলার প্রস্তুতি করতেই অনেক সময় লেগে যায় বলে গতকাল শুক্রবার এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বৈঠক হয়।

বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি দুলাল চন্দ্র ঘোষ এবং উপাচার্যের প্রতিনিধি মঞ্জু মোহন মুখোপাধ্যায় সহ অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাতে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ পৌষ মেলা আদৌ পরিচালনা করবেন কিনা তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই মেলা না করার এই সিদ্ধান্ত। তবে গত বছর ওই মেলায় দূষণ ছড়ানোর অভিযোগে পরিবেশবিদ সুভাষ দত্ত মামলা করেছিলেন, আর মেলা শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও দোকানিরা উঠতে চাননি বলে বিস্তর ঝামেলা হয়েছিল। সব মিলিয়ে কর্তৃপক্ষ মেলার ব্যাপারে তিতিবিরক্ত। একইসঙ্গে ঠিক করা হয়েছে, প্রতি বছর দোল বা হোলির সময়ে শান্তিনিকেতনে যে বসন্ত উৎসব হয়, তাও আগামী বছর হবে না।

বস্তুত গতবছর পৌষমেলার মতো এবছর বসন্তোৎসবেও বেশ কিছু বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল, যার জন্য বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে যথেষ্ট সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। তখনই তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন যে অনেক হয়েছে আর নয়। এ বার ঠিক হয়েছে, পৌষ মেলা হবে না বটে তবে চিরাচরিত ঐতিহ্য অবলম্বন করে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর যে পৌষ উৎসবের অবতারণা করে গিয়েছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর ছেলে রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তার পরেও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ পরম্পরাক্রমে যে উৎসব চালিয়ে গিয়েছেন, সেই পৌষ উৎসব যথাসময়ে বাংলা দিনপঞ্জি অনুসারে ৭ই থেকে ৯ই পৌষ, এই তিনদিন পালিত হবে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:02:06 0:00


XS
SM
MD
LG