অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ভারতের কৃষক আন্দোলনের পক্ষে সেলিব্রিটিদের ট্যুইট বার্তা তদন্তের নির্দেশ


ভারতের কৃষক আন্দোলনের পক্ষে সেলিব্রিটিদের ট্যুইট বার্তাযর তদন্তের নির্দেশ

ভারত বিখ্যাত সেলিব্রিটিরা ট্যুইট বার্তায় আন্তর্জাতিক সেলিব্রিটিদের ও কৃষক আন্দোলনের যে সমালোচনা করেছেন, তা নিয়ে মহারাষ্ট্র সরকার আজ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

ভারত বিখ্যাত সেলিব্রিটিরা ট্যুইট বার্তায় আন্তর্জাতিক সেলিব্রিটিদের ও কৃষক আন্দোলনের যে সমালোচনা করেছেন, তা নিয়ে মহারাষ্ট্র সরকার আজ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। কয়েকদিন আগে আন্তর্জাতিক পপস্টার রিহানা ভারতে কৃষক আন্দোলনের পক্ষে আছেন জানিয়ে ট্যুইট করায় ভারতে রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছিল।

শচীন তেন্ডুলকর, লতা মঙ্গেশকরের মত ভারতরত্ন উপাধি পাওয়া ক্রিকেটার ও সংগীতশিল্পী, ভারতের ক্রিকেট ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি, অভিনেতা অক্ষয় কুমার এবং আরো বহু নামীদামি বিখ্যাত ব্যক্তি "ঐক্যবদ্ধ ভারত"-এর হয়ে প্রচারে নেমে পড়েন। শচীন তেন্ডুলকর এমনকি এ-ও বলেন, বিদেশিরা আমাদের দেশের ঘটনাবলীর পর্যবেক্ষক হতে পারেন কিন্তু সে ব্যাপারে সমালোচনা করা বা মন্তব্য করার অধিকার বিদেশিদের নেই। এই কথায় সারা ভারতে নেটিজেনরা শচীন তেন্ডুলকরের নিন্দায় মুখর হয়ে ওঠেন।

তাঁরা বলেন, রিহানা যেমন কৃষক আন্দোলন নিয়ে বলেছেন, তেমন বিশ্বের যেখানে যা অন্যায় দেখেছেন তা নিয়েও মুখ খুলেছেন। তিনি বহু জনহিতকর কাজে দান করেন, তাদের পাশে থাকেন। শচীন তেন্ডুলকরের এমন কোনও দানের কথা কেউ জানেন না। ভারতে কৃষকদের আন্দোলনের কারণ নিয়েও তিনি কখনও মাথা ঘামাননি, কোনোদিন এই আন্দোলন নিয়ে কোনো কথাও বলেননি। কিন্তু যেই রিহানার মতন একজন মানুষ বললেন যে এই আন্দোলনের তিনি সমর্থক, সঙ্গে সঙ্গে শচীন এবং আরো অনেকে ময়দানে নেমে পড়লেন রিহানার সমালোচনায়। একজন কংগ্রেস নেতা বলেছেন, শচীন তেন্ডুলকর ভারতরত্ন উপাধি পাওয়ার যোগ্য নন।

যাঁরা রিহানা ও কৃষক আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন তাঁরা প্রায় প্রত্যেকেই মহারাষ্ট্রের বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। শচীন তেন্ডুলকর, লতা মঙ্গেশকর ছাড়াও যাঁরা আছেন, তারা মহারাষ্ট্রে তথা সারা ভারতে যথেষ্ট নামীদামি। মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস নেতা শচীন সাওয়ান্ত বলেছেন, আলোচ্য সবকটি ট্যুইট প্রায় একসঙ্গে করা হয়েছে এবং প্রায় একই রকম ভাষায়। তাই মনে হচ্ছে এর পেছনে বিজেপি সরকারের কোনো কারসাজি আছে। বলা যায় না, হয়তো বিজেপি সরকারের চাপে এঁরা এরকম ট্যুইট করতে বাধ্য হয়েছেন। এটা তদন্ত করে দেখা উচিত। আজ সোমবার মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ এই যুক্তির যাথার্থ মেনে নিয়েছেন এবং তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। দীপংকর চক্রবর্তী, ভয়েস অফ আমেরিকা, কলকাতা

সরাসরি লিংক


XS
SM
MD
LG