অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

গোটা বাংলা গত সপ্তাহ তিনেক ধরে ওয়ার্ল্ড কাপ ফুটবল জ্বরে আক্রান্ত


গোটা বাংলা গত সপ্তাহ তিনেক ধরে ওয়ার্ল্ড কাপ ফুটবল জ্বরে আক্রান্ত। আসছে রবিবার ফাইনাল খেলার পর আস্তে আস্তে অবস্থা স্বাভাবিক হবে।

নিজেদের দেশ খেলে না, তাতে কী! অন্য দেশের খেলা দেখতে তো ভালো লাগে। তাই বিশ্বকাপ ফুটবল চলার সময়, বিশেষ করে যেদিন প্রিয় দলের খেলা থাকে, সেদিন শহরের চেহারাই পাল্টে যায়। সন্ধ্যার মধ্যে অফিস, কলেজ বা কাজ থেকে ফিরে এসে টেলিভিশনের সামনে বসে পড়তে হবে। ছোট বড় ক্লাব, হোটেল রেস্তোরাঁ, সব বড় বড় টিভি রেখেছে সবাই মিলে যাতে খেলার মজা উপভোগ করতে পারে। হৈ হৈ করে খেলা দেখার সঙ্গে খাওয়া দাওয়াও চলে। সব মিলিয়ে একটা উৎসবের আমেজ। প্রতি চার বছর অন্তর এক মাসের জন্য বাঙালি এই উৎসবে সামিল হয়।

এই বার কিন্তু সেই উৎসবে বিষাদের সুর বাজছে। কারণ বাঙালিদের প্রিয় দল, প্রিয় খেলোয়াড়দের সকলেই প্রতিযোগিতার মাঠ থেকে ছিটকে বেরিয়ে গিয়েছে। ঐতিহ্যগত ভাবে বাঙালি আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিলের ভক্ত। তখন ছিল মারাদোনা, এখন মেসি। তখন ছিল পেলে, এখন নেমার। কিন্তু মেসি নেমার, সব তারকাই তো আউট। বাদ এমনকি রোনাল্ডোও। তবে বাঙালির হিরো ওয়ারশিপ হবে কাকে দিয়ে? ভগ্নহৃদয় বাঙালি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে তাদের নতুন হিরো খুঁজছে নতুন উঠে আসা ফুটবলারদের মধ্যে। যেমন বেলজিয়ামের রোমেলু লুকাকু, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন্, অবশ্য বেলজিয়ামের গোলকিপার থিবো কুর্তোয়া, আর ক্রোয়েশিয়ার দানিয়েল সুবাসিচও কম যান না। এঁরাই বর্তমানের ফুটবল হিরো। তবে এঁরা বাঙালির সান্ত্বনা পুরস্কার। তাঁদের মনের অনেকটা জায়গাই এখনও কিন্তু আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলের দখলে। এরা যে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে পারল না, সেই দুঃখ সহজে যাওয়ার নয়। তাই দক্ষিণ কলকাতার একটি পাড়ার রাস্তা জুড়ে আজও উড়ছে ব্রাজিলের হলুদ সবুজ পতাকা। একেই বলে প্রেম।

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:08 0:00

XS
SM
MD
LG