অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইছেন


লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হাসান দাইয়াব বলছেন যে এখন যে সাংঘাতিক আর্থিক সংকট এবং কভিড ১৯ এর মোকাবিলা করছে তাঁর দেশ, সেখানে দূর্ভিক্ষেরও মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। তিনি সতর্ক করে দেন যে একাধিক সংকটের কারণে নতুন করে মানুষ দেশান্তরী হয়ে ইউরোপের দিকে ছুটবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে লেবাননে যে আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে তেমনটি আগে কখনও হয়নি। সেখানে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মুদ্রাস্ফীতি, দারিদ্র এবং বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে অপ্রত্যাশিত ভাবে এবং অনেক ক্ষেত্রে পণ্যের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে। দাইয়াব বলেন এই সংকটে জনগণ একেবারে মৌলিক খাদ্য, রুটিও হয়ত কিনতে পারবে না। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাছ থেকে সহায়তা পাবার জন্যে লেবাননকে কিছু সংস্কার সাধন করতে হবে।

এরই মধ্যে দাইয়াব বলেছেন লেবাননের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পাউন্ডের পরিবর্তে খাদ্য আমদানির জন্য ডলার দেবে কারণ সেখানকার পাউন্ডের মূল্য অর্ধেকেরও বেশি কমে গেছে। দাইয়াব বলেন মৌলিক খাদ্য দ্রব্য আমদানি করা হবে, দামের দিকে খেয়াল রাখা হবে এবং এর ফলে লেবাননের জনগণ শিগগিরই দাম কমতে দেখবেন।

দাইয়াবের এ সব মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন সেখানে বিদ্যূৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে এবং বিদ্যূৎ বিভাগের কর্মকর্তারা এর জন্য প্রচন্ড তাপপ্রবাহে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকে দায়ী করেছেন। এদিকে বিদ্যূৎ চলে যাবার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে যে মিছিল সেখানকার জ্বালানি শক্তি মন্ত্রকের দিকে যাচ্ছিল তাদের সঙ্গে পুলিশের ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়। অতীতে এ ধরণের সমাবেশগুলোতে বিক্ষোভকারীরা বেপরোয়া দূর্নীতি এবং দূর্বল জনসেবার জন্য রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করেছে এবং লেবাননের গোষ্ঠি-ভিত্তিক রাজনীতিকে ঢেলে সাজানোর দাবি জানিয়েছে।

XS
SM
MD
LG