অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ভারতে সম্পূর্ণভাবে লকডাউনের ঘোষণায় বাংলা টেলিভিশন শিল্পের উপরে তার প্রভাব


আজকের অতিথি মিঃ মনীশ ঘোষ, একজন স্বনামধন্য পরিচালক এবং চিত্রনাট্যকার। কর্মজীবনে তিনি টেলিভিশন শিল্পের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, এবং স্টার জলসা থেকে শুরু করে চ্যানেল এইট, জি বাংলা, ইত্যাদি বিভিন্ন চ্যানেলের জন্য তিনি বহু ধারাবাহিক পরিচালনা করেছেন। বর্তমানে তিনি কলকাতায় বসবাস করছেন এবং সাম্প্রতিক COVID-19 এর কারণে লক ডাউনের জন্য বাংলা টেলিভিশন শিল্পের উপর তার প্রভাব সম্বন্ধে তার সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেছেন।

প্রথম প্রশ্ন, ভারতে সম্পূর্ণভাবে এই লকডাউনের ঘোষণা বাংলা টেলিভিশন শিল্পের উপরে কি ধরণের প্রভাব ফেলবে? অর্থাৎ আমি জানতে চাইছি যে যে সমস্ত শুটিং ইতিমধ্যে চলছিল, সেগুলি মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে আর্থিক ক্ষতির মাত্রাটা কতখানি হতে পারে বলে আপনি মনে করছেন?

উত্তরে তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মহামারী জনিত কারণে ২১ দিনের লকডাউনের পরিপ্রেক্ষিতে সমস্ত শুটিং বাতিল হওয়ার কারণে, সারা দেশের টেলিভিশন শিল্পের ক্ষেত্রে এক ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাছাড়া এইসব কাজের ক্ষেত্রে Contractual অর্থাৎ ঠিকাদার ভিত্তিতে কিছু টেকনিশিয়ন, এবং অন্যান্য কলাকুশলীদের ঠিকাদার কর্মী হিসেবে নিয়োগ করা হয়, এবং এই সব কর্মীরা ঘণ্টা হিসেবে তাদের পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন। সুতরাং লকডাউন হওয়ার ফলে তাদের আর কাজে আস্তে দেওয়া হচ্ছে না, সুতরাং সব থেকে বেশি অসুবিধেয় তারাই পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, লক ডাউনটি একবার উঠলে, সামগ্রিক ভাবে এই শিল্পের অর্থনৈতিক অবস্থাটা কিরকম হবে সেটা এখন ধারণা করা খুবই কঠিন, তবে তিনি যথেষ্ট আশাবাদী যে আমরা সবাই আবার ঘুরে দাড়িয়ে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারব।

দ্বিতীয় প্রশ্ন, আপনি যে সব নতুন ছবিতে কাজ করছেন তার কোনও স্ক্রিপ্ট লিখতে কি এখন আপনার কোনরকম অসুবিধে হচ্ছে? লক ডাউন এর সময় চিন্তাভাবনার মধ্যে কোনও পার্থক্য খুঁজে পাচ্ছেন কিনা, অর্থাৎ আমি বলতে চাইছি, বাড়িতে সীমাবদ্ধ থাকা আপনাকে সাহায্য করছে নাকি আপনার আপনার (চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা/ লেখার)ক্ষমতাকে কমিয়ে দিচ্ছে বলে আপনার ধারণা?কেননা আপনি কারুর সাথেই এখন মুখোমুখি কথা বলতে পারছেন ফোনে অথবা স্কাইপে যোগাযোগ করতে হছে, সেক্ষেত্রে কি যে কোন কাজ শেষ করতে কি বেশি সময় লাগছে?

তার উত্তরে তিনি বলেন, না একেবারেই না, বরঞ লক ডাউন থাকার ফলে লেখার মধ্যে থেকে বার বার উঠে কোন মিটিং এও যেতে হচ্ছে না। তাছাড়া উনার আগামী একটি ছায়াছবির চিত্রনাট্য লেখার জন্য উনাকে অনেক পুরনো দিনের ইতিহাস পড়তে হচ্ছে, সুতরাং লেখার কাজটা বরঞ্চ আর দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।।

ভয়েস অফ অ্যামেরিকার বাংলা বিভাগের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন জয়তী দাশগুপ্ত।

please wait

No media source currently available

0:00 0:07:48 0:00
সরাসরি লিংক


XS
SM
MD
LG