অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

উৎসবে আনন্দে মেতেছিল গোটা বাংলাদেশ। রাত ১২টা ১ মিনিটেই বিজয় উৎসবের শুরু। একদিকে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ, অন্যদিকে বিজয়ের গান বাজছিল চারদিকে। ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ।

প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অগণিত শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর জাতীয় স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল নামে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রেসিডেন্ট সম্মিলিত বাহিনীর এক আকর্ষণীয় কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় ও রাশিয়ান বীরদের অভ্যর্থনা জানানো ছিল অন্যতম ঘটনা। ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ২৬ কর্মকর্তাসহ ৫৫ জন বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানমালায় অংশ নেন। রাশিয়া থেকে যোগ দেন ৪ জন। মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে টাঙ্গাইলে ছত্রীসেনা অবতরণের স্থানও অতিথিরা পরিদর্শন করেন। বিজয়ের ৪৬ বছর পর কি ভাবছেন জানতে চেয়েছিলাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের রূপকার অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ-এর কাছে।
বিজয় দিবসে কারাগার ও হাসপাতালগুলোতে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী


XS
SM
MD
LG