অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ভারতে হামলার হুমকী জঙ্গি সংগঠনের


ভারত বর্ষের মতন দেশে গণতন্ত্রের পীঠস্থানে হামলার স্মৃতি এখনও টাটকা। গত দুহাজার এক সালের ডিসেম্বর মাসের ওই হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই প্রাণদণ্ড হয়েছে আফজল গুরুর। জঙ্গিদের হাত থেকে সংসদ ভবন রক্ষা করতে গিয়ে সেদিন প্রাণ হারিয়েছিলেন ন’জন নিরাপত্তারক্ষী। সেই হামলার ঘটনার পুনরাবৃত্তি করতে পারে লস্কর-ই-তোইবা ও জয়েশ-ই-মহম্মদের মতো জঙ্গি সংগঠন।

অতি সম্প্রতি অর্থাৎ গত ডিসেম্বর মাসে এই মর্মে একটি গোপন রিপোর্ট দিয়েছে দেশের ইনটেলিজেন্স ব্যুরো বা আইবি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, নিউ ইয়ার বা ওই সময়ে হামলা চালাতে পারে জঙ্গি সংগঠনগুলি। শুধু সংসদ ভবনই নয়, হামলা হতে পারে বিভিন্ন মার্কেট, মল, মেট্রো, বাস টার্মিনাস, রেলওয়ে স্টেশন ও বিমানবন্দরেও।অবশ্য শুধু দিল্লিতে অবস্থিত সংসদ ভবনই নয়, জঙ্গিদের নিশানায় রয়েছে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ভবন ও জনবহুল অঞ্চলগুলিও। সেই কারণে রিপোর্টে নিউ ইয়ার ইভ ও নিউ ইয়ারের রাতে সবচেয়ে বেশি নজরদারি চালাতে বলা হয়েছিল । এই সতর্কতামূলক রিপোর্টটি দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতা, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু ও আমেদাবাদের পুলিস কমিশনারকেও পাঠিয়ে দেয় আইবি। ওই সব বড় শহরগুলিও যে জঙ্গিদের সম্ভাব্য নিশানায় রয়েছে, রিপোর্টে তার উল্লেখ করা হয়েছে। আইবি রিপোর্ট বলছে, পাক জঙ্গিরা ভারতে বড় ধরনের হামলা চালাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। সেই লক্ষ্যে লস্কর ও জয়েশের একটি দল ভারতে অনুপ্রবেশের পরিকল্পনা ছকেছে। জঙ্গি অনুপ্রবেশের সম্ভাবনার বিষয়টি জানিয়ে সিআরপিএফ, বিএসএফ, উপকূলরক্ষী বাহিনী ও অসম রাইফেলসকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যে চরম সর্তকার দিকে লক্ষ রেখেই এই মুর্হূতে নজর দারীর কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:00:51 0:00

XS
SM
MD
LG