অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগির সংখ্যা ২০ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে


যুক্তরাষ্ট্রে এখন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগির সংখ্যা সরকারী হিসেব অনুযায়ী কুড়ি  লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটির করোনা রিসোর্স সেন্টারের ওয়েব সাইটে আজ প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রে এখন কভিড ১৯ এ সনাক্ত রোগীর সংখ্যা হচ্ছে কুড়ি লক্ষ চারশ চৌষট্টি জন এবং মোট মৃতের সংখ্যা এক লক্ষ বারো হাজার নয় শ’ চব্বিশ।

যুক্তরাষ্ট্রে এখন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগির সংখ্যা সরকারী হিসেব অনুযায়ী কুড়ি লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটির করোনা রিসোর্স সেন্টারের ওয়েব সাইটে আজ প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রে এখন কভিড ১৯ এ সনাক্ত রোগীর সংখ্যা হচ্ছে কুড়ি লক্ষ চারশ চৌষট্টি জন এবং মোট মৃতের সংখ্যা এক লক্ষ বারো হাজার নয় শ’ চব্বিশ। যুক্তরাষ্ট্র এখনও সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা বিবেচনায় সবার উপরে রয়েছে।

এ সপ্তায় যুক্তরাষ্ট্রের ২১টির মতো অঙ্গরাজ্য কভিড ১৯ এ সর্বোচ্চ সংখ্যক সংক্রমণের কথা জানিয়েছে এবং এর অনেকগুলোই ঘটেছে অ্যারিজোনা, নিউ মেক্সিকো , টেক্সাস এবং ইউটায়। সাম্প্রতিক সপ্তাগুলোতে করোনাভাইরাস বিষয়ক বিধিনিষেধ শিথিল করার কারণে এই সংক্রমণের সংখ্যা আবার বাড়তে শুরু করেছে।এই সংক্রমণ বৃদ্ধি পা্ওয়ায় ক্যালিফোর্নিয়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সেখানে অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য জনপ্রিয় বার্ষিক সঙ্গীতানুষ্ঠান বাতিল করেছেন। বিশেষজ্ঞরা আশংকা প্রকাশ করেছেন যে সম্প্রতি মিনিয়াপলিসে ফ্লয়েডের মৃত্যুর প্রতিবাদে গোটা দেশে যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, তাতে কভিড ১৯ এর সংক্রমণ আরেক দফা বাড়তে পারে। প্রতিবাদকারীদের অনেকেই মাস্ক পরেননি এবং পরস্পরের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মিছিল করেছেন।

এ দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যে ল্যাটিন আমেরিকা হচ্ছে বর্তমান বিশ্বে করোভাইরাসের কেন্দ্রস্থল । সেখানে মোট সংক্রমণের সংখ্যা হচ্ছে দশ লক্ষ এবং মৃত্যু হয়েছে সত্তুর হাজারেরও বেশি লোকের। ঐ অঞ্চলে ব্রাজিলে সংক্রমিত হয়েছে সাত লক্ষ বাহাত্তর হাজার চার শ ষোলোজন , তার পরেই আছে পেরুর স্থান। সেখানে দু লক্ষ সাত হাজার লোক সংক্রমিত হয়েছে। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে চিলি এবং মেক্সিকো । সংক্রমণের সংখ্যা যথাক্রমে এক লক্ষ আটচল্লিশ হাজার চার শ’ ছাপ্পান্ন এবং এক লক্ষ উনত্রিশ হাজার এক শ চুরাশি।

XS
SM
MD
LG