অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

হংকংকে দেয়া বিশেষ বানিজ্যিক সুবিধা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র


চীন ও যুক্তরাষ্ট্র ক্রমশই শীতল যুদ্ধের দিকে এগুচ্ছে এমন ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যেই গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে চীনের উত্থান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোন ইতিবাচক অগ্রগতি নয়। হোয়াইট হাউজের রোজ গার্ডেনে এই মন্তব্য করে তিনি বলেন তিনি হংকং স্বায়ত্বশাসন আইন স্বাক্ষর করেছেন এবং একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন যার ফলে হংকংকে দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বানিজ্যিক সুবিধা বিলুপ্ত করা হয়েছে। ট্রাম্প ঐ আদেশ সম্পর্কে বলেন , “ হংকংকে এখন থেকে মূল চীনা ভূখন্ডের মতোই দেখা হবে। এই আইনে হংকং’এর স্বায়ত্বশাসন সরিয়ে নেয়ার কর্মকান্ডের জন্য দায়ী চীনের সঙ্গে সম্পৃক্ত লোকজন , প্রতিষ্ঠান বিশেষত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। একজন সংবাদদাতার প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন যে খুব শিগগিরই চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ‘এর সঙ্গে কথা বলার কোন পরিকল্পনা তাঁর নেই। এই মন্তব্যগুলো এমন এক সময় এলো যখন শিনঝিয়াং এ সংখ্যালঘুদের উপর চীনের দমন নিপীড়নের জন্য চীনের উপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং আমেরিকান প্রযুক্তি থেকে চীনা কোম্পানিগুলোকে সরিয়ে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

তবে প্রেসিডেন্ট গতকাল রোজ গার্ডেনে তাঁর বক্তব্যের বেশির ভাগ অংশেই এ বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বি জো বাইডেনের সমালোচনা করেন, তিনি সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে, বারাক ওবামা প্রশাসনের সময়ে চীন এবং অন্যান্য বিষয়ে ভ্রান্ত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য দোষারোপ করেন। এ দিকে বাইডেনের নির্বাচনী প্রচার অভিযান থেকে বলা হয়, তাঁদের কথায়, “ ডনাল্ড ট্রাম্প তাঁর দূর্বলতার রেকর্ড এবং বাজে চুক্তিগুলো লুকোতে পারবেন না যার ফলে অব্যাহত ভাবে চীন এগিয়ে গেছে এবং আমেরিকা পিছিয়ে পড়েছে”।

করোনাভাইরাস মহামারি এবং এর ফলে অর্থনীতির ক্ষতি, এই নির্বাচনী মৌসুমের সব চেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হ্ওয়ায়, ট্রাম্প চীনকেই সব দোষ দিচ্ছেন যেখানে প্রথম এর সংক্রমণ শুরু হয়। প্রেসিডেন্ট আবার বলেন, “ এই ভাইরাসের খবর গোপন করার জন্য এবং তা বিশ্বের উপর ছড়িয়ে দেয়ার জন্য আমরা চীনকেই সম্পুর্ণ ভাবে দায়ী করছি”।

XS
SM
MD
LG