অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আফগানিস্তান থেকে জোট বাহিনীর প্রত্যাহারের পর পরস্পর আস্থা স্থাপনে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান


ফাইল ছবিতে জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ পরিষদের বৈঠকের সাইড লাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশিকে বৈঠক করতে দেখা যাচ্ছে। সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কর্মকর্তারা বলছেন, আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জোট বাহিনীর প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান সম্পর্কের রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ বদলে দিয়েছে। এখন ওয়াশিংটন সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ইসলামাবাদের উপর কম নির্ভরশীল।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন প্যানেটা ভয়েস অফ আমেরিকার উর্দু সার্ভিসের সঙ্গে সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান সম্পর্ক সব সময়ই জটিল।

লিওন প্যানেটা সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অধীনে যখন সিআইএ পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন, সে সময়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমরা তাদের (পাকিস্তান) সঙ্গে একটি সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করি, বিশেষ করে পাকিস্তানের উপজাতীয় অঞ্চলগুলোতে যখন আল-কায়দা ছিল। যত দিন আমরা তাদের তথ্য দিয়েছিলাম এবং তাদের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রেখেছিলাম, তারা আমাদের কিছু সহযোগিতা করেছিল।

ফাইল ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন প্যানেটাকে দেখা যাচ্ছে। জুলাই ২৭, ২০১৬।
ফাইল ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন প্যানেটাকে দেখা যাচ্ছে। জুলাই ২৭, ২০১৬।


একই সঙ্গে প্যানেটা বলেন, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে সুবিধার জন্য সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং তালিবান ও হাক্কানি নেটওয়ার্কের খুব ঘনিষ্ঠ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র হাক্কানি নেটওয়ার্ককে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসাবে বিবেচনা করে এবং তা দেশ দুটির মধ্যে আস্থার অভাব সৃষ্টি করে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মোইদ ইউসুফ এই মূল্যায়নের সঙ্গে একমত নন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন এবং ইসলামাবাদ একটি ইতিবাচক আলোচনার মধ্যে রয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েন্ডি শেরম্যানের সাম্প্রতিক পাকিস্তান সফরের কথা উল্লেখ করেন।

XS
SM
MD
LG