অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপনাস্ত্র হামলা পশ্চিমবঙ্গের সব সংবাদপত্রের শিরোনাম


সিরিয়ার বিমান ঘাঁটি থেকে রাসায়নিক হামলায় প্রাণহানির ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সিরিয়ার মাটিতে আমেরিকার ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা গোটা বিশ্বের সংবাদ মাধ্যমের কাছে যখন বিষয়টি শিরোনামের তকমা পেল সেই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম সারির বাংলা দৈনিক সংবাদ পত্র গুলিও সিরিয়ায় আমেরিকার ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনাকেও শিরোনাম করলো প্রত্যেকটি কাগজই যে যার নিজের মতোন করেই।

বাংলা দৈনিক আনন্দ বাজার পত্রিকা তাদের বিদেশের পাতার শিরোনাম করলো-সিরিয়ায়-মার্কিন ক্ষেপনাস্ত্র 'শিক্ষা দিতে' হানা ট্রাম্পের। বাংলা দৈনিক গণশক্তি- রক্তাক্ত সিরিয়া-মার্কিন হানায় শিশু সহ হত সাত। সংবাদ প্রতিদিন বললো- যুদ্ধের দামামা পশ্চিম এশিয়ায়-ঊনষাট টি মার্কিন ক্ষেপনাস্ত্র-গুঁড়িয়ে দিল সিরিয়ার বিমান ঘাঁটি। বাংলা কাগজ এই সময়ের হেড লাইন- মার্কিন মিসাইলে জবাব সিরিয়াকে। বর্তমান পত্রিকা বললো- সিরিয়ায় মার্কিন ক্ষেপনাস্ত্র হানা। বাংলা পত্রিকা এবেলা বললো- সিরিয়ায় ক্ষেপনাস্ত্র হানায় হত নয়। বাংলা দৈনিক স্টেটসম্যান বললো- সিরিয়ায় মার্কিন ক্ষেপনাস্ত্র হামলা-জরুরী বৈঠকে বসছে রাষ্ট্র সংঘ। দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে একযোগে প্রকাশিত বাংলা দৈনিক যুগশঙ্খ শিরোনাম করলো- সিরিয়ায় মার্কিন হামলাকে 'সর্বাত্মক সমর্থন' সৌদি আরবের। একদিন পত্রিকা বললো- আসাদকে জবাব দিতেই সিরিয়ায় ট্রাম্পের আক্রমণ। বাংলা দৈনিক আজকাল তাদের শিরোনাম করলো- আর্ন্তজাতিক সমর্থন ট্রাম্পের দিকেই- সিরীয় বিমান ঘাঁটিতে আঘাত হানল মার্কিন 'টোমাহক'-ক্ষিপ্ত রাশিয়া।

একই সাথে দেশের সর্বভারতীয় এবং রিজিওনাল টেলিভিশন চ্যানেল গুলোতেও সিরিয়া ও আমেরিকাই এখন আলোচনার বিষয় বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে, পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায় তা লক্ষ্য রাখার জন্য। কলকাতা থেকে পরমাশিষ ঘোষ রায়।

XS
SM
MD
LG