অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষক দল এখন চীনে


কয়েক মাস ধরে আলাপ আলোচনা এবং এই অভিযোগ যে চীন নিরপেক্ষ তদন্তে বাধা দিচ্ছে, তার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞদের একটি দল চীনের উহানে গিয়ে পৌঁছিয়েছে, যেখানে তাঁরা এই করোনাভাইরাসের উৎপত্তির বিষয়টি বের করার চেষ্টা করবেন যে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে প্রায় কুড়ি লক্ষ লোক প্রাণ হারিয়েছেন। আজ চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই দলটি সেখানে যাবার খবর দিয়েছে। এই দলে রয়েছেন বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষক, যাদের মধ্যে আছেন পশু বিজ্ঞান এবং মহামারীবিদ্যা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ। ১৫ সদস্যের এই দলটি চীনে প্রায় একমাস অবস্থান করবেন। চীনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁদেরকে প্রথম দু সপ্তাহ কোয়ারান্টিনে থাকতে হবে।

এই গবেষক দলের লক্ষ্য হচ্ছে এটা বের করা কি ভাবে এই ভাইরাস বেরিয়ে আসে, কেমন করে তা মানবদেহে সংক্রমিত হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের সংক্রমণ কি ভাবে রোধ করা যায়। এই কাজটি খুব সহজ হবে না। এক বছরেরও বেশি সময় আগে যখন কভিড ১৯ প্রথম সনাক্ত হয়, তখন সেই সংক্রমণকে ঊহানের একটি বাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয় যেখানে খাদ্য হিসেবে বন্য পশুদের বিক্রি করা হতো। এঁদের কাজে কুটনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও সমস্যা হতে পারে। যদিও চীন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তাদের পর্যাপ্ত সুযোগ করে দিয়েছে, বেইজিং সরকার প্রায়ই আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে চলে যায় এবং এই বৈশ্বিক মহামারি যে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে তার দায় থেকে সরে আসার চেষ্টা করেছে।

এ দিকে বিশ্বের ১২০’টিও বেশি দেশ এই জীবাণুর উৎপত্তি সম্পর্কে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন এবং বেশ কিছু দেশের সরকার এই অভিযোগ আনছে যে, এই জীবাণু সংক্রমণের লক্ষ্যে চীন যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রায়শই এই জীবাণুকে “চায়না ভাইরাস” বলে অভিহিত করেছেন এবং জাতিসংঘের কাছে দাবি জানিয়েছেন যে, এর জন্য চীনকে দায়ী করা হোক।

XS
SM
MD
LG