পুলিশ হেফাযতে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে তিন পুলিশের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

পুলিশ হেফাযতে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে তিন পুলিশের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বাংলাদেশের একটি আদালত পুলিশ হেফাযতে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে পুলিশের তিন সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। 

বাংলাদেশের একটি আদালত পুলিশ হেফাযতে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে পুলিশের তিন সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে।

বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মিরপুরের বাসিন্দা গাড়িচালক ইশতিয়াক হোসেনকে হত্যার দায়ে পুলিশের দুই কথিত সোর্সকেও ৭ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর কারনে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনের বিধান অনুযায়ি পুলিশের তিন সদস্যকে সর্বচ্চ সজা দেয়া হল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত তিন পুলিস সদস্যরা হলেন ঢাকার নিরপুরের পল্লবী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক জাহিদুর রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক রাশেদুল ইসলাম ও সহকারী উপপরিদর্শক কামরুজ্জামান।

সাজাপ্রাপ্ত পুলিশের দুই সোর্স হলেন সুমন ও রাসেল। দণ্ডিত এই পাঁচ আসামীর মধ্যে কামরুজ্জামান ও রাসেল পলাতক আছেন। পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় দেয়া আদালতের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী এডভোকেট জিয়া হাবিব ভয়েস অফ অ্যামেরিকাকে বলেছেন আদালতের এই রায় পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন এবং মৃত্যুর বিরুদ্ধে মানবাধিকার কর্মীদের আন্দোলনের বিজয়।

এদিকে, ঢাকার অদুরে শিল্প নগরি নারায়ণগঞ্জের একটি মসজিদে সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত ও দগ্ধ ৩৭ জনের প্রত্যেকের পরিবারকে জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় পাঁচ লাখ টাকা করে দিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডকে বুধবার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগ। বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত ও দগ্ধদের প্রতিটি পরিবারের জন্য ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেয়ার পাশাপাশি মসজিদে বিস্ফোরণ দগ্ধ ৩৭ জনের পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে।

উল্লেখ্য গত চৌঠা সেপ্টেম্বর মসজিদে বিস্ফোরণে যে ৩৭ জন গুরুতর আহত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে ২৮ জন ইতিমধ্যেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

Your browser doesn’t support HTML5

পুলিশ হেফাযতে নির্যাতন করে হত্যার দায়ে তিন পুলিশের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড