অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আবারও বিদেশি অনুদান নিতে পারবে মাদার তেরেসার মিশনারিজ অব চ্যারিটি


ফাইল ছবি- গৃহহীন মানুষ মিশনারিজ অফ চ্যারিটির প্রতিষ্ঠাতা সেন্ট তেরেসার একটি প্রতিকৃতির পাশে জড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে আছে.২৬ আগস্ট ২০২১। (ফাইল ছবি-এপি/বিকাস দাস)

বিদেশি অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রে আর কোন সমস্যাই রইল না মাদার তেরেসার সংস্থা, মিশনারিজ অব চ্যারিটির। ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্টের (এফসিআরএ) অধীনে পুনরায় নবায়নের জন্য আবেদন জানানো হলেও তা নাকচ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এর পেছনে কারণটা কী, তা স্পষ্ট করেনি ভারত সরকার। এবার সেই আবেদনই মঞ্জুর করা হলো, শনিবার জানালো সংস্থাটি।

সূত্রের খবর, মিশনারিজ অব চ্যারিটির এফসিআরএ লাইসেন্স পুনর্নবায়ন করা হয়েছে। এখন থেকে আর বিদেশি অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও জটিলতা তৈরি হবে না।

মিশনারিজ অব চ্যারিটি ভারতজুড়ে দুঃস্থ, অসুস্থ এবং নিঃস্বদের জন্য অনেকগুলি অনাথ আশ্রম এবং আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনা করে। যার অধিকাংশই চলে বিদেশি অনুদানে। কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়ায় এই সংস্থার আড়াইশোর বেশি অ্যাকাউন্টে বিদেশি অনুদান আসা বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই মাদারের সংস্থার তরফে তাদের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার জন্য ব্যাঙ্কগুলির কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। বিষয়টি কয়েকদিন আগে প্রকাশ্যে আসে।

গত ২৫ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মিশনারিজ অব চ্যারিটির বিদেশ থেকে তহবিল পাওয়ার প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দেওয়ার আবেদন খারিজ করে। বিদেশি তহবিল কাজে লাগাতে হলে বিদেশি সহায়তা নিয়ন্ত্রণ আইন বা ফেরা আইনে অ-লাভজনক প্রয়োজন সংক্রান্ত লাইসেন্স বা ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। তবে চ্যারিটি জানিয়েছিল, তাদের লাইসেন্স রিনিউয়ের আবেদন বাতিল হয়েছে। বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত চ্যারিটিই তাদের সব কেন্দ্রকে বিদেশি তহবিল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে নিষেধ করে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকও চ্যারিটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করার খবর অস্বীকার করে জানায়, স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া খবর দিয়েছে, চ্যারিটি নিজেই অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানিয়েছিল।

উল্লেখ্য, ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্টের অধীনে লাইসেন্স না থাকলে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বিদেশ থেকে পাওয়া অর্থ খরচ করতে পারে না। এই আবহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে কিছু নথি জমা করার পরেই লাইসেন্সের পুনর্নবায়ন করা হয়।

XS
SM
MD
LG