অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কলকাতায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, আক্রান্ত ডাক্তার-নার্সরাও  


পশ্চিমবঙ্গে সংক্রমণ মারাত্মকভাবে বাড়ছে, ডাক্তার ও নার্স আক্রান্ত হচ্ছেন। (ছবি- অ্যাডোবে স্টক)

পশ্চিমবঙ্গে সংক্রমণ মারাত্মকভাবে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৬ হাজার ১৫৩ জন। নানা প্রান্ত থেকে খবর আসছে, একের পর এক ডাক্তার ও নার্স আক্রান্ত হচ্ছেন। স্বাস্থ্য পরিষেবা সচল রাখাই দায় হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় জরুরি বৈঠক ডাকল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর।

সূত্রের খবর, এনআরএস হাসপাতালের ৭০ জন ডাক্তার ও নার্স ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্ত। রাজ্যের সরকারি চক্ষু হাসপাতাল রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অফ অপথ্যালমোলজি-তে আক্রান্ত ১২ জন চিকিৎসক। ন্যাশনাল মেডিক্যালেও সব মিলিয়ে প্রায় ৮০ জন আক্রান্ত। আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজে আক্রান্ত চিকিৎসকের সংখ্যা ৩০-এর বেশি। চিত্তরঞ্জন সেবাসদনে আক্রান্ত ৩৬ জন চিকিৎসক।

এই অবস্থায় সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা সঙ্কটের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা স্বাস্থ্য মহলের। সোমবার স্বাস্থ্য দপ্তরের ভার্চুয়াল বৈঠক আয়োজিত হয় স্বাস্থ্য ভবনে। বৈঠকে যোগ দেন সমস্ত সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষরা।

জানা গেছে, এই কোভিড পরিস্থিতিতে, স্বাস্থ্য পরিষেবা বজায় রাখা যায় কীভাবে, তাই নিয়ে একটি রূপরেখা তৈরি হয়েছে বৈঠকে। পাশাপাশি, হোস্টেল বন্ধ রাখা ও এমবিবিএস পাঠ্যক্রমের পরীক্ষা নিয়েও আলোচনা হবে। স্বাস্থ্য দফতর নির্দেশ দিয়েছে, রোজ ৮০ হাজার টেস্ট করতে হবে।

এসবের মধ্যেই আজ থেকে চালু হয়েছে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের টিকাদান। কোউইন অ্যাপে দেশজুড়ে নথিভুক্ত হয়েছে তিন লক্ষেরও বেশি নাম। কলকাতার ১৬টি সরকারি স্কুলে পাওয়া যাবে টিকা।

অন্যদিকে, আজই কলকাতা পুরসভায় কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা করার কথা। শহরের বোরো নম্বর ৩, ৭, ৮, ৯ ও ১০-এ মোট ১৭টি কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।

রবিবার সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা রাজ্যে বেড়ে হয়েছে ১৭ হাজার ৩৮ জন। এর মধ্যে কলকাতাতেই এই মুহূর্তে আক্রান্ত ৮ হাজার ৪৬৯ জন। পিছিয়ে নেই পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা।

XS
SM
MD
LG