জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের লক্ষ লক্ষ বেসামরিক নাগরিকের সুরক্ষার জন্য আরো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। সেখানে লোকজন সশস্ত্র গোষ্ঠী দ্বারা হত্যা, অপহরণ এবং বর্বর নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।
ডজন খানেক সশস্ত্র গোষ্ঠী দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চলে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়ে আসছে , কিন্তু জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) বলছে, হামলার ভয়াবহতা এবং মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যা আগে দেখা যায়নি।
ইউএনএইচসিআর এবং তার অংশীদাররা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রদেশ উত্তর কিভু এবং ইতুরিতে ২০২১ সালে ১,২০০ এরও বেশি বেসামরিক লোকের মৃত্যু এবং ১১০০টি ধর্ষনের খবর পেয়েছে। সংস্থাটি বলছে, ভয়াবহ হামলায় শুধু এ বছরই দেশের পূর্বাঞ্চলে ১০ লক্ষেরও বেশি কঙ্গোবাসী ঘরছাড়া হয়েছে।
ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র বরিস চেশিরকভ বলেছেন, বেশিরভাগ হামলা জোটবদ্ধ গণতান্ত্রিক বাহিনী দ্বারা সংঘটিত হয়েছে, এটি উগান্ডার একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী যা পূর্ব ডিআরসিতে এ কাজগুলো করছে। তিনি বলেন, ২০২০ সালের শেষের দিক থেকে এই গোষ্ঠীর আক্রমণ বেড়ে চলছে এবং আরও নৃশংস হচ্ছে।
চেশিরকভ বলেন "এই রিপোর্টগুলি বার বার আসছে। এর মধ্যে এই বছরেই মানবাধিকার লঙ্ঘন, চাঁদাবাজিসহ লুটপাট, এবং অবশ্যই যৌন সহিংসতার পঁচিশ হাজারটি ঘটনা রয়েছে। এসব ভয়ঙ্কর রিপোর্ট এবং নাগরিকদের বিরুদ্ধে চরম সহিংসতার খবর আমাদের কর্মীরা এবং অন্যান্য সংস্থা পাচ্ছে । তাই আমাদের আহ্বান খুবই স্পষ্ট। এটি এমন একটি আহ্বান যা আমরা সবসময়ই করছি। তা হল, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য আমাদের আরো ব্যবস্থা দরকার,"।