অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

দূর্নীতি মামলায় বাবরের ৮ বছর কারাদন্ড  


বাংলাদেশের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর- ফাইল ফটো- এএফপি

বাংলাদেশের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবরকে আট বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলায় আজ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক মো. শহিদুল ইসলাম এই আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৬(২) ধারায় তিন বছর ও ২৭(১) এর ধারায় পাঁচ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হলো। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও তিন মাস কারাভোগের আদেশ দেওয়া হয়েছে রায়ে। দুটি ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে।

২০০৭ সালের ২৬শে জুলাই থেকে এ মামলায় কারাগারে থাকা বাবর সাজার মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ করে ফেলেছেন। তবে অস্ত্র মামলায় ১৭ বছর ও ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদন্ড হওয়ায় কারাগারেই থাকতে হচ্ছে তাকে।

২০০৭ সালের ২৮শে মে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর। অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ১৩ই জানুয়ারি রমনা থানায় মামলা হয়। মামলাটি করেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৬ই জুলাই দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে বাবরের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদ রাখার অভিযোগ আনা হয়। তিনি দুদকে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১২ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেছিলেন। তার অবৈধ সম্পদের মধ্যে প্রাইম ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংকে দুটি এফডিআরে ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা এবং বাড়ি নির্মাণ বাবদ ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকা গোপনের কথা উল্লেখ করা হয়। একই বছরের ১২ইআগস্ট আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে আদালত।

বাবরকে ২০১৪ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় এবং ২০১৮ সালের ১০ই অক্টোবর ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়। সেনা নিয়ন্ত্রিতসরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ২৮ মে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর। নেত্রকোনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বাবর ১৯৯১ সাল থেকে ৩ বার সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন। ২০০১ সালে বিএনপি সরকারে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তাকে বলা হতো দাপুটে মন্ত্রী।

XS
SM
MD
LG