অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশের ২০ শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিন পাবে


বাংলাদেশের ২০ শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিন পাবে

বাংলাদেশে ঠিক কতো মানুষ ভ্যাকসিন পাবে এনিয়ে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য নেই। অনুমান করে যে যার মতো বলছেন। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, জল্পনার কিছু নেই। বর্তমান জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিন পাবে।

বাংলাদেশে ঠিক কতো মানুষ ভ্যাকসিন পাবে এনিয়ে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য নেই। অনুমান করে যে যার মতো বলছেন। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, জল্পনার কিছু নেই। বর্তমান জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিন পাবে। যা কিনা সাড়ে পাঁচ কোটির মতো। এছাড়া যাদের বয়স আটারো বছরের নীচে তারা ভ্যাকসিন পাবে না। মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশের বয়স ১৮ বছরের নীচে।
পৃথিবীর কোথাও তাদের ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে না। তাদের ট্রায়ালও হয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এক কোটি মানুষ দেশের বাইরে থাকে। ৩০ লাখের মতো নারী সন্তানসম্ভবা। তাতে হিসাব করে দেখা গেছে এই মুহুর্তে সাড়ে পাঁচ কোটি মানুষের এই মুহুর্তে ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে না। অক্সফোর্ড ও কো-ভ্যাক্স এর ভ্যাকসিন দিয়ে বাকি জনগোষ্ঠিকে ভ্যাকসিন দেয়া যাবে।
সরকারি হিসাবে দেশের মোট জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটি বলা হলেও বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা আরো বেশি।
মন্ত্রী আশা করেন, জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির শুরুতে দেশে ভ্যাকসিন আসবে। এজন্য দুটি ল্যাব প্রস্তুত করা হয়েছে। বিশ^স্বাস্থ্য সংস্থা ইতোমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে।
বাংলাদেশ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন পেতে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি করেছে। প্রাথমিকভাবে তিন কোটি টিকা আসবে এমনটাই বলা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের একদল গবেষক ৩০ টি জিনোম সিকোয়েন্স পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করে চট্টগ্রাম বিভাগের ভাইরাসের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, সৌদি আরব, তাইওয়ান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার ভাইরাসের সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন। একইসঙ্গে গবেষণায় করোনা ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সে পাঁচটি নতুন মিউটেশন পাওয়া গেছে।
চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে এই গবেষকরা আরো পর্যালোচনা করার ওপর জোর দেন। তারা বলেন, সবগুলো মিউটেশন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পাঁচটি মিউটেশন চট্টগ্রামে ব্যাপকভাবে বিস্তার করেছে। চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জীব বিজ্ঞান অনুষদের বায়োক্যামেস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের ল্যাবে এই গবেষণা সম্পন্ন হয়েছে।
ওদিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৭ হাজার ৪৫২ জনে। একই সময় ১ হাজার ৪৯ জনের শরীরে করোনা প্রবেশ করেছে। ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী

please wait

No media source currently available

0:00 0:02:08 0:00
সরাসরি লিংক



XS
SM
MD
LG