অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে করোনার ৭৮ শতাংশই ডেল্টা ধরন


বাংলাদেশে করোনার ৭৮ শতাংশই ডেল্টা ধরন

রোববার সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআর এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ডেল্টাভ্যারিয়েন্টে শনাক্তের হার মে মাসে ৪৫ শতাংশ থাকলেও জুনে তা বেড়ে ৭৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সারা দেশেই ডেল্টাভ্যারিয়েন্টের সুস্পষ্ট প্রাধান্য দেখা যাচ্ছে।

করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরন ছড়িয়ে পড়ার কারণেই বাংলাদেশে দ্রুত পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। গত জুন মাসেশনাক্ত নমুনার ৭৮ শতাংশই ছিল করোনার ডেল্টা ধরন আগের মাসে এই হার ছিল ৪৫ শতাংশ। গত এপ্রিলেকরোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরন শনাক্ত হয় বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তথ্য প্রকাশ করে।

রোববার সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআর এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ডেল্টাভ্যারিয়েন্টে শনাক্তের হার মে মাসে ৪৫ শতাংশ থাকলেও জুনে তা বেড়ে ৭৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সারা দেশেই ডেল্টাভ্যারিয়েন্টের সুস্পষ্ট প্রাধান্য দেখা যাচ্ছে।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআর
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআর

করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে গত জুন পর্যন্তমোট ৬৪৬টি সংগৃহিত নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করোনার আলফা ভ্যারিয়েন্টেরপ্রাধান্য ছিল।

মার্চে ৮২ ভাগ নমুনায় বিটা ধরন শনাক্ত হয়। এপ্রিল পর্যন্ত এই বিটা ধরনের প্রাধান্য থাকলেও এরপর থেকে দ্রুত ডেল্টাধরন ছড়িয়ে পড়ে। অতি সংক্রামক এই ধরনের কারণে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েযাচ্ছে। সর্বশেষ এক দিনে ১৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা করোনা শনাক্ত হওয়ার পর থেকে একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানি।

উল্লেখ্য যে, সংক্রমণের গতি, রোগের জটিলতা, প্রতিরোধ সক্ষমতা বিবেচনায় কিছু কিছু ভ্যারিয়েন্টকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অবকনসার্ন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আলফা, বিটা, গামা ও ডেল্টা এই পর্যায়ের ভ্যারিয়েন্ট।

XS
SM
MD
LG