অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিতর্কিত মুরাদ হাসানের পদত্যাগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া


বিতর্কিত মুরাদ হাসানের পদত্যাগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া

ডা. মুরাদ হাসান। ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী। ক’মাস ধরেই ছিলেন আলোচনায়। একের পর এক তৈরি করেছেন বিতর্ক। বিরোধী এক নেতার কন্যাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য এবং একটি অডিও ক্লিপ শেষ পর্যন্ত তার বিপর্যয় ডেকে আনে। ওই অডিও ক্লিপে শোনা যায়, সিনেমার এক নায়িকাকে ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৈরি হয় তীব্র সমালোচনা। বিব্রতকর অবস্থার মুখোমুখি হয় সরকার। ডা. মুরাদ হাসানকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেটি দ্রুতই তামিল করেন তিনি।

জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের পদ থেকেও তাকে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। এমপি পদও হারাতে পারেন যেকোনো মুহূর্তে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি উচ্চ আদালতে গড়িয়েছে। কিন্তু আইনবিদ ও বিশিষ্টজনরা বলছেন, পদত্যাগ বা বহিষ্কারই ডা. মুরাদ হাসানের জন্য যথেষ্ট শাস্তি নয়। ফৌজদারি অপরাধ করেছেন তিনি। এজন্য তাকে বিচারের মুখোমুখি করা প্রয়োজন।

ডা. মুরাদের পদত্যাগ পরবর্তী পরিস্থিতি এখনো আলোচনায়। বিশিষ্টজনরা এটাকে নানাভাবে পর্যালোচনা করছেন।

ইতিহাসবিদ ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রথম প্রশ্ন হলো- মুরাদ হাসানের রাজনৈতিক অতীত প্রশ্নবিদ্ধ। তারপরও কি করে তাকে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী করা হলো তাও এক মন্ত্রণালয়ের নয়, প্রথমে তাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হলো, সেখানে মন্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তাকে তথ্য মন্ত্রণালয়ে দেয়া হলো। এ ধরনের মন্ত্রী নিয়োগ করে কীভাবে বাংলাদেশের জনগণের টাকা নয়ছয় করা হলো এটা নেতৃত্বের কাছে আমার প্রশ্ন।

দুই নম্বর প্রশ্ন হচ্ছে- যার চরিত্র এমন সে তো একদিনে এমন হয় না। সবসময় এমন থাকে। কাজেই তাকে মন্ত্রী করা হলো কি করে? তিন নম্বর প্রশ্ন হচ্ছে- তথ্যমন্ত্রী বলেছেন গত তিনমাসে তার মধ্যে তিনি অস্বাভাবিকতা দেখছেন। অস্বাভাবিক আচরণের মানুষকে মন্ত্রী রাখতে হলো কেন? চার নম্বর বিষয় হচ্ছে- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক একটি কাজ করেছেন তার জন্য তাকে অভিনন্দন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে সবিনয়ে আমার প্রশ্ন, আপনার মন্ত্রী এমন হয় কি করে? সবশেষ কথা হচ্ছে- বাংলাদেশে দুর্বৃত্তরাই রাজনীতি করছে, হয়তো ব্যতিক্রম কিছু আছে তাদের জন্য আমার সম্মান, শ্রদ্ধা। কিন্তু রাজনীতি যে ক্রমাগত দুর্বৃত্তায়িত হয়ে যাচ্ছে তার বড় প্রমাণ হচ্ছে তাদের নারী জাতির প্রতি অশ্লীল বা অশালীন উক্তি করতে কোনোরকম বাধে না। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি যে একটি বড় রকমের সংকটে আছে এটা বোঝা যায়। মাত্র ক'দিন আগেই গাজীপুর এবং রাজশাহীর কাটাখালির মেয়র বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কটূক্তি করেছেন। এমন অহরহ ঘটনা ঘটছে। কাজেই আওয়ামী লীগের জন্য একটি বড় রকমের অশনিসংকেত বিরাজ করছে মুরাদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে পদক্ষেপ নিয়েছেন এটি প্রশংসার যোগ্য। তবে প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ নেয়া যথেষ্ঠ নয়। মুরাদ হাসান যে ধরনের কথাবার্তা বলেছেন এটা শুধু ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টেই অপরাধ নয়, এটা বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী অপরাধ। বিশেষ করে তিনি যেভাবে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে একজন নারীকে তুলে এনে ধর্ষণ করার হুমকি দিচ্ছিলেন সেটা ধর্ষণের চেষ্টা এবং মন্ত্রী হিসেবে তার যে শপথ আছে তা তিনি ভঙ্গ করেছেন। অনেকগুলো ফৌজদারি অপরাধ এর মধ্যে রয়েছে। এত বড় গুরুতর অপরাধের যদি বিচার না হয় তাহলে এটা মানুষকে অন্য মেসেজ দেবে। আমরা এর আগেও দেখেছি যারা পাওয়ারফুল ব্যক্তি তারা রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের কাজ করেছেন।

যেমন আমরা সাবেক সেনা প্রধানের ভাইকে দেখেছি আল জাজিরার ইন্টারভিউতে বলতে, প্রত্যক্ষভাবে দেখেছি নারায়ণগঞ্জের কমিশনার নূর হোসেনকে র‍্যাব, পুলিশকে দিয়ে এ ধরনের কাজ করাতে। একের পর এক আমরা যখন এ ধরনের ঘটনা ঘটতে দেখি এবং মন্ত্রী পর্যায়ের একজন মানুষের পক্ষে যখন এ ধরনের কথা বলতে শুনি এবং এ ধরনের ঘটনার যদি বিচার না হয় তাহলে এটা শুধু ভুল বার্তা দেবে এমনটিই নয়, মানুষের আত্মমর্যাদাবোধ এবং স্বাধীনতা এসব প্রশ্নেও বিভ্রান্তি তৈরি হবে। অশ্লীল কথা সবসময়ই অশ্লীল। রাষ্ট্রের যেকোনো পর্যায় থেকে অশ্লীল কথা বলার চর্চা সম্পূর্ণভাবে বিতাড়িত করতে হবে।

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট তারানা হালিম বলেন, মুরাদ হাসান কর্মক্ষেত্রে যা করেছেন তা কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট ।যে ভাষায় কথা বলেছেন তা বিকৃত রুচির, অশালীন, নারীর প্রতি অবমাননাকর। তিনি দলের ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষু্ণ্ণ করেছেন। শাস্তি তার প্রাপ্য ছিলো। একজন প্রতিমন্ত্রীর মুখের ভাষা এমন হতে পারে তা কল্পনাতীত ।রাসুলে করিম (সা:) বলেছেন-“ভালো মানুষ নারীকে সম্মান করে ।”

তাই আপনি দোষী থাকবেন দুনিয়াতে ও আখেরাতে। আমরা যারা দলকে ভালোবাসি তারা জানি এই সিদ্ধান্ত নেবার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কঠিন ,কঠোর হতে হয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যার কাছ থেকে এটাই আশা করি আমরা। ভবিষ্যতে সব লুটেরা, ঘুষখোর, লম্পটদের বিরুদ্ধে আপনার এমন কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকুক। এই দৃষ্টান্ত যেন সকলের জন্য শিক্ষার কারণ হয়।

বিএনপির সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, যে বীভৎস নারীবিদ্বেষী সমাজে আমাদের বসবাস, যে সমাজে নারীর বিরুদ্ধে যেকোনো সহিংসতা করা যায়, যা খুশি বলা যায়, বিশেষ করে নারী চরিত্রের ব্যবচ্ছেদ ঘটানো যায় যখন তখন, সেই সমাজের মূর্তপ্রতীক সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় যেহেতু ক্ষমতার সাথে, তা সেটি অর্থনৈতিক, সামাজিক কিংবা রাজনৈতিক যেটাই হোক না কেন, যেকোনো অপরাধের প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকে এবং এইসব ক্ষমতায় ক্ষমতায়িত ব্যক্তিরা এক ধরনের ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে দায়মুক্তি উপভোগ করেন তাই ডা. মুরাদও সম্ভবত ভেবেছিল সে যাচ্ছেতাই বলতে পারে, করতে পারে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাকে জড়িয়ে বলা তার অডিও রেকর্ড ফাঁস না হলে তার বিরুদ্ধে আদৌ কোনো ব্যবস্থা নেয়া হতো কিনা সেটা নিয়ে জনমনে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। ক্ষমতার উৎস যদি বৈধ হয় তা একরকম আর যদি অবৈধ হয় তবে তা ভয়ঙ্কর হতে বাধ্য। রাষ্ট্র আর সমাজের মূল কাঠামোটা ঠিক করতে না পারলে এই ধরনের মুরাদ তৈরি হবে প্রতিনিয়ত। তাই চিকিৎসা দরকার রোগের, উপসর্গের পিছে দৌড়ে লাভ নেই।

সিনিয়র সাংবাদিক সোহরাব হাসান বলেন, অশালীন ফোনালাপের জের ধরে বাংলাদেশে একজন প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ, তার অতীত রাজনীতির সুলুকসন্ধান এবং মন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতার বিষয়টি এখন রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সদ্য পদত্যাগকারী আলোচ্য প্রতিমন্ত্রীর নাম ডা. মুরাদ হাসান, যিনি পেশায় একজন চিকিৎসাবিদ। কেবল একজন নামকরা অভিনেত্রীর সঙ্গে অশালীন ফোনালাপ নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার আরও যেসব ভিডিও বার্তা পাওয়া গেছে, তাতে তার নিম্নরুচিরই পরিচয় পাওয়া গেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল প্রশ্ন করেছেন, এরকম একজন ব্যক্তি কীভাবে মন্ত্রী হলেন? নাগরিক সমাজের অনেকেই এই প্রশ্ন করেছেন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বলার চেষ্টা করছেন, সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অবিচল। অপরাধী যত ক্ষমতাবান হোন না কেন, তার বিরুদ্ধে তারা ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এ ধরনের ব্যক্তি জনপ্রতিনিধি হয়ে, মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়ে দেশের জনগণের কি উপকারে এসেছে। মুরাদ হাসান আড়াই বছরেরও বেশি সরকারে ছিলেন। প্রথমে তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। কিন্তু সেখানে চিকিৎসকদের সঙ্গে তার বনিবনা না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে বদলি করেন। এই মন্ত্রণালয়েও তিনি কোনো অবদান রেখেছেন বলে জানা যায় না। অথচ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি সরকারি কোষাগার থেকে বেতন ভাতা নিয়েছেন, যা জনগণের করের অর্থ থেকে আসে। ডা. মুরাদ হাসান যেই এলাকা থেকে নির্বাচিত, সেই এলাকায় তার পদত্যাগের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আনন্দ-মিছিল হয়েছে। মিষ্টি বিতরণ হয়েছে। জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ তাকে স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। এ থেকে এলাকার নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তার সম্পর্ক বুঝতে অসুবিধা হয় না। এতদিন তারা ভয়ে কিছু বলেননি। এখন সুযোগ পেয়ে মনের কথাটি প্রকাশ করেছেন।

দুই বছর আগে অভিনেত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে হোটেলে নিয়ে আসার হুমকিই তার একমাত্র অপরাধ নয়। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, তার নাতনি জাইমা রহমান এমনকি সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নারী সদস্যদের সম্পর্কেও চরম অপমানকর কথাবার্তা বলেছেন। আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীরা মনে করেন, তিনি যে অপরাধ করেছেন তাতে মন্ত্রী বা সাংসদ পদ থেকে অপসারণই একমাত্র প্রতিকার হতে পারে না। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নিতে হবে। সেক্ষেত্রে রাজনীতিতে যারা হরহামেশা অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন তাদের জন্য একটি কঠোর বার্তা হতে পারে।

লেখক ও চিকিৎসক সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত বলেন, মুরাদ হাসান অশ্লীল কাজ, কথা, অঙ্গভঙ্গি যা কিছু করছেন তার কোনোটিই আজকে নতুন নয়। এটা অনেক আগে থেকেই তিনি করছেন। আর তার মতো এমন একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কাছে নিশ্চয়ই সবরকম তথ্য ছিল। এখন এতো কিছু প্রকাশিত হচ্ছে যা আসলে গোপন থাকার কথা নয়। তার বিরুদ্ধে এতদিন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, এটাই প্রশ্ন। এখন এগুলো যখন পাবলিক হয়েছে, ভার্চুয়াল মিডিয়ায় সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, বিভিন্ন সংস্থার কথা এসেছে, ছাত্রলীগের কথা এসেছে, ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের জড়িয়ে ফেলেছে এবং একজন নায়িকাকে জড়িয়ে ফেলেছে সে কারণে এখন তাকে সরাতে বাধ্য হয়েছে সরকার।

ওদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিদ্রূপ করা এবং নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। তার ওই অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযোগকারী জুলিয়াস সিজার তালুকদার বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাবেক জিএস। ছাত্রলীগের প্রার্থী হিসেবেই তিনি নির্বাচনে জয়ী হন।

সিজারের অভিযোগটি জিডি হিসেবে গ্রহণ করে এর তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার হারুন অর রশিদ। তিনি জানান, অভিযোগটি পুলিশের সাইবার অপরাধ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রতিবেদন আসার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। যেহেতু মুরাদ হাসানের বক্তব্য অনলাইন প্ল্যাটফরমে প্রচারিত হয়েছে, মামলা হলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে জিডিটি মামলায় পরিণত হতে পারে।

মুরাদ হাসানের সংসদ সদস্য পদ বাতিলের দাবি করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেছেন আইনজীবী ইউনূস আলী আকন্দ। রিট আবেদনটি শুনানির অপেক্ষায় আছে।

সর্বশেষ,

আপত্তিকর বক্তব্য ও অশ্লীল কথোপকথনের অডিও ফাঁসের ঘটনায় ডা. মুরাদ হাসান এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। বুধবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি পোস্ট করে ক্ষমা চান তিনি। পোস্টে ডা. মুরাদ হাসান লেখেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পরম শ্রদ্ধেয় মমতাময়ী মা, বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা, আমি যে ভুল করেছি, তার জন্য আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে মাফ করে দেবেন।

XS
SM
MD
LG