অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে বাংলাদেশে আতঙ্ক


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে বাংলাদেশে আতঙ্ক

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৪০টি জেলাই অতি উচ্চ ঝুঁকিতে। ১৫টি জেলা রয়েছে উচ্চ ঝুঁকিতে। ৮টি জেলা রয়েছে মধ্যম ঝুঁকিতে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় কোনো সুখবর নেই। বরং নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে।

সংস্থাটি সংক্রমণে বাংলাদেশকে তিন ভাগে ভাগ করেছে। অতি উচ্চ ঝুঁকি, উচ্চ ঝুঁকি ও মধ্যম ঝুঁকি। এক সপ্তাহের নমুনা পরীক্ষার ফালফল বিশ্লেষণ করে সংস্থাটির এই ধারণাই হয়েছে, বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৪০টি জেলাই অতি উচ্চ ঝুঁকিতে। ১৫টি জেলা রয়েছে উচ্চ ঝুঁকিতে। ৮টি জেলা রয়েছে মধ্যম ঝুঁকিতে।

বান্দরবানে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা কম হওয়ায় এই জেলাকে বিবেচনায় নেয়া হয়নি। রিপোর্ট অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার সবকটিই উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। ঢাকা বিভাগের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। এ বিভাগে সংক্রমণ বেড়েছে ১১৪ দশমিক ৪ শতাংশ। উচ্চ সংক্রমণ ঝুঁকির কারণে ঢাকার আশপাশের সাতটি জেলায় লকডাউন দেয়া হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সংক্রমণ পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, সেখানে শনাক্তের হার শতভাগ।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও ইউজিসি অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পেছনে চারটি কারণ নির্ণয় করেছেন। তার মতে, ডেল্টা ভাইরাস অধিক মাত্রায় সংক্রমণ বাড়াচ্ছে। তাছাড়া মানুষ কোনোভাবেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। লকডাউন চলছে নামমাত্র। মাস্ক পরছেন না বেশিরভাগ মানুষ। ঢাকার চারপাশে লকডাউন দেয়া হলেও মানুষের চলাচল বন্ধ হয়নি।

টিকার সংকটও সংক্রমণের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ টিকার আওতার বাইরে। সারা দেশে যেভাবে সংক্রমণ হু হু করে বাড়ছে তা ২৪ ঘণ্টার পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে। এই সময় আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৫৮ জন। ৭১ দিন পর সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৮১ জন।

ওদিকে বাংলাদেশে করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ নিয়ে আয়োজিত এক সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই সহায়তা চান। চীনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যোগ দেন।

XS
SM
MD
LG