বুধবার ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে পুলিশের সাথে এক বিতর্কিত বন্দুকযুদ্ধে দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত হবার পর তাদের পরিবার ধর্মমতে দাফনের জন্য মৃতদেহ ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে শ্রীনগরে বিক্ষোভ করলে পুলিশ নিহতের আত্মীয়দের আটক করে।
এই সপ্তাহের শুরুর দিকে ভারত-শাসিত কাশ্মীরে সরকারী নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত চার জনের মধ্যে এই দুজন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন। তাদের পরিবার এই সৈন্যদের বিরুদ্ধে অভিযানটি কীভাবে পরিচালিত হয়েছে সে সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দেয়ার অভিযোগ করেছে।
পুলিশ বলছে, সরকারি সেনা ও বিদ্রোহীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে ঐ বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যু হয়েছে। তবে প্রত্যক্ষদর্শী ও বেসামরিক নাগরিকদের পরিবার বলছে, ভারতীয় সেনারা ওই বেসামরিক লোকদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে।
মঙ্গলবার, বিতর্কিত অঞ্চলের প্রধান শহরের পুলিশ জানিয়েছে যে অভিযানে চারজন নিহত হয়েছে।
পুলিশের মতে, লড়াইয়ে একজন বিদেশী "সন্ত্রাসী" হায়দারসহ - পুলিশের মতে যাকে বিলাল ভাই নামে ডাকা হয় - তার "সহযোগী," আমির আহমেদ এবং "দুই সমর্থক" মুদাসির গুল ও আলতাফ আহমেদ ভাট নিহত হয়।
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীর অঞ্চলের পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল বিজয় কুমার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে ঐ এলাকায় জঙ্গিদের উপস্থিতি সম্পর্কে পুলিশের কাছে তথ্য ছিল।
তিনি বলেন, "পুলিশের যৌথ বাহিনী, কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স এবং সেনাবাহিনীর যৌথ দল এলাকা ঘেরাও করে তল্লাশি চালায়।" যখন সরকারি বাহিনী জঙ্গিরা লুকিয়ে থাকা একটি কক্ষের দরজায় কড়া নাড়ে জঙ্গিরা তাদের দিকে গুলি করে এবং আত্মরক্ষা করতে সেনারা তখন গুলি চালায়।"
ভাটের মালিকানাধীন তিনতলা শপিং সেন্টারের ভিতরে বন্দুকযুদ্ধটি হয়।ভাট ঐ ভবনের নিচতলায় সিমেন্ট ও হার্ডওয়্যার সামগ্রী বিক্রি করতেন। গুল প্রথম তলা ভাড়া নিয়েছিলেন যেখানে তিনি একটি নির্মাণ ব্যবসায় জড়িত ছিলেন এবং একটি কল সেন্টার পরিচালনা করতেন যেখানে তিনি আহমেদকে একজন সহযোগী হিসাবে নিয়োগ দিয়েছিলেন।