অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্র-ইন্দোনেশিয়ার বৈঠকে শীর্ষে স্থান পেয়েছে চীন ও মিয়ানমার প্রসঙ্গ

ইন্দোনেশিয়ার  প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো এবং, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে কপ-২৬ (COP26) জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে প্রেসের জন্য বিবৃতি দিচ্ছেন।১ নভেম্বর ২০২১।(ছবি-এএফপি/ব্রেনডন স্মিয়ালস্কি)
ইন্দোনেশিয়ার  প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো এবং, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে কপ-২৬ (COP26) জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে প্রেসের জন্য বিবৃতি দিচ্ছেন।১ নভেম্বর ২০২১।(ছবি-এএফপি/ব্রেনডন স্মিয়ালস্কি)

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সোমবার স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে কপ-২৬ (COP26) শীর্ষ সম্মেলনের পার্শ্ব-বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডোর সঙ্গে দেখা করেছেন। অক্টোবর মাসের যুক্তরাষ্ট্র-আসিয়ান এবং পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলনে চলা তাদের মধ্যকার আলোচনাটি কপ-২৬ সম্মেলনেও অব্যাহত রেখেছেন।

উইডোডো যিনি জোকোউই নামেও পরিচিত, বাইডেন তাকে বলেন, "ইন্দোনেশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার, এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে তার নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে।”

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ১ কোটি ৩৪ লক্ষ ডোজ দেয়ার জন্য জোকোউই বাইডেনকে ধন্যবাদ জানান। ওয়াশিংটন কোভ্যাক্স টিকা ভাগাভাগি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়াকে টিকার অন্যতম বৃহত্তম এই অনুদান দিয়েছে।

এই বৈঠকটি বাইডেনের কূটনৈতিক চালের একটি অংশ যেখানে তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম এই দেশটির সমর্থন জয় করতে চান। এটি এমন একটি অঞ্চল যেখানে চীনের অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক এবং সামরিক প্রভাব ক্রমাগত বেড়ে চলেছে।

হোয়াইট হাউসের দেয়া এক তথ্য অনুসারে,এই দুই নেতা জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারী মোকাবেলা, সমুদ্রে স্বাধীনতা, মিয়ানমারের অভ্যুত্থান এবং "কৌশলগত অংশীদারিত্ব" জোরদার করা এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন। দুই নেতা বাইডেন দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম সশরীরে বৈঠকে মিলিত হলেন।

প্রায় ঘন্টাব্যাপী বৈঠকের সময়, বাইডেন আসিয়ানের (অ্যাসোসিয়েশন অফ সাউথ-ইস্ট এশীয় নেশনস) মূল উদ্দেশ্যর প্রতি প্রতিশ্রুতি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ে আসিয়ান দৃষ্টিভঙ্গি-অর্থাৎ ঐ অঞ্চলের সকল কাজ সংস্থাটির ১০টি সদস্য দেশ নির্ধারণ এবং নেতৃত্ব দেয়, সেটির সমর্থনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সূচনা থেকেই ইন্দোনেশিয়া বেশ গর্বের সঙ্গে এই সংগঠনটির নীতিকে ধরে রেখেছে — তার "স্বাধীন এবং সক্রিয়" বৈদেশিক নীতি লালন করেছে — এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি অবলম্বন করেছে যাতে ওয়াশিংটন বা বেইজিং কেউই ক্ষুব্দধ না হয়।

This item is part of
XS
SM
MD
LG