অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রেকর্ড ভোটে ভবানীপুরে জয়ী হলেন মমতা ব্যানার্জী


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

৫৮ হাজার ৮৩৫ ভোটে জয়ী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুর উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেলেন তিনি। ধারেকাছে নেই বিজেপি।

এদিন সকালে গণনার শুরু থেকেই বড় ব্যবধানে ভবানীপুরে এগিয়ে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাকি প্রার্থীদের কাউকেও ধারেকাছে দেখা যাচ্ছিল না। বিজেপির প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালও ছিলেন অনেক পিছিয়ে। শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশা মতোই জিতলেন তৃণমূল প্রধান। শুধু তাই নয়, রেকর্ড মার্জিনে জয় পেলেন তিনি।

উপনির্বাচন হলেও ভবানীপুরের ভোটের আলাদা তাৎপর্য ছিল এবার। কারণ এই ভোটের ফলাফলের উপর নির্ভর করছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রীত্বের ভাগ্য। নন্দীগ্রাম থেকে তিনি শুভেন্দু অধিকারীর বিপরীতে হেরে গিয়েছিলেন। তাই মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে টিকে থাকার জন্য কোনও আসন থেকে জেতা দরকার ছিল। ভবানীপুর বরাবরের মতো মমতাকে ফেরাল না। এই কেন্দ্রে জয়ের হ্যাটট্রিক করলেন তিনি।

জয়ের পর প্রতিক্রিয়ায় মমতা বলেন, "ভবানীপুরে এত ভোটে আমাকে জেতানোর জন্য সবাইকে ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা আর সেলাম। এখানে ভোটার কম, চিরকালের ধারা। ২০১১ সালেও আমি এখান থেকে রেকর্ড ৫৪ হাজার ভোটে জিতেছিলাম, তখন ভোট পড়েছিল ৪৪ শতাংশ। এই প্রথম ভবানীপুরে আমরা কোনও ওয়ার্ডে হারিনি। সব ওয়ার্ডে মানুষ আমাদের জিতিয়েছেন। বর্ষা কোভিডের মাঝেও এই জয় অনেক কিছু দেখিয়ে দিল।" নন্দীগ্রামের ভোট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নাম না করে মমতা বলেন, "অনেক চক্রান্ত হয়েছে আমাদের বিরুদ্ধে। বাংলা আঘাত পেয়েছিল। ভবানীপুর তার জবাব দিল।"

XS
SM
MD
LG