অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

শীতের আগমনে খাদ্য সংকটে পড়তে যাচ্ছে আফগান জনগণ


ফটো ফাইলঃ ২৪শে ফেব্রুয়ারী ২০১৫, তুষার ঝড়ের মাঝে ফেরিওয়ালা এপিঃ মাসুদ হোসেইনি

গ্রীষ্মকালের প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশী--- অত্যন্ত গরম তাপমাত্রা জন্য আফগান জনগণকে কঠিন অবস্থার মধ্যে থাকতে হয় এবং এর পরপরই চলে আসে শীতকাল আর তখন প্রচণ্ড ঠাণ্ডার সঙ্গে করতে হয় তাদের লড়াই।

গ্রীষ্ম হল বছরের সেই সময় যখন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী গুদামে এবং আফগানিস্তানের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কাছে খাদ্য মজুদ করে। শীতকালীন প্রচণ্ড তুষারপাতের কারণে অভাবী লোকজনের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয় না বলেই আগে থেকে তাদের কাছে খাদ্য বিতরণ করা হয়।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী ডব্লিউএফপির আঞ্চলিক সহপরিচালক অ্যান্থিয়া ওয়েব এই জরুরি অভিযানে আন্তর্জাতিক সহায়তা ছাড়া এই শীতে মানবিক বিপর্যয় ঘটার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

ওয়েব বলেন, "তহবিলের মাত্রা কম এবং তা বাড়ানো প্রয়োজনে, আগামি অক্টোবর মাসে আমাদের মূল সরবরাহ গমের আটা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।" তিনি বলেন, “আমাদের হাতে কয়েকটি মাত্র সপ্তাহ বাকি। এরই মধ্যে দাতাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করে খাদ্য ক্রয় এবং তা জায়গা মত রাখতে হবে কারণ তুষারের কারণে পাহাড়ি পথ বন্ধ হয়ে যায়। আমাদের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আরও যদি বিলম্ব হয় তাহলে আফগানিস্তানের মানুষের জন্য তা মারাত্মক হতে পারে।

ওয়েব বলেন, একবার তুষার পড়তে শুরু হলে লোকজনকে সাহায্য করা যায় না কারণ ঐসময় বাইরে থেকে সাহায্য সহায়তা সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

যুক্তরাষ্ট্র ও নেটো সৈন্য প্রত্যাহার এবং তালিবানবিদ্রোহীরা দেশটির নিয়ন্ত্রণ দখলের ফলে ব্যাপকতর মানবিক ও মানবাধিকার সংকটের চেয়ে ও বেশি খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সাহায্যের ওপর নির্ভর করে প্রায় এক কোটি আশি লক্ষ আফগান বেঁচে আছে।

ওয়েব স্বীকার করেন যে এই বছর চ্যালেঞ্জগুলো আরও জটিল। তিনি বলেন, তীব্র খরা, সংঘাত এবং কোভিড-১৯ ‘এর কারণে শীতকালের জন্য নুন্যতম মৌলিক প্রস্তুতি নেওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

XS
SM
MD
LG