অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রাশিয়ার সাথে আলোচনা জানুয়ারিতে হতে পারে : যুক্তরাষ্ট্র


১৩ই ডিসেম্বর, ২০২১ সালে ইউক্রেনের কিয়েভেতে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবার সাথে ইউরোপীয় এবং ইউরেশীয় বিষয়ক ব্যুরোর যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী সেক্রেটারি কারেন ডনফ্রাইড দেখা করেছেন। ছবি-রয়টার্স

ইউরোপের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের শীর্ষ কূটনীতিক মঙ্গলবার বলেছেন,যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে যে ইউক্রেনিয়ার সীমান্তে রাশিয়ার বড় আকারের সৈন্য মোতায়নের বিষয়ে রাশিয়ার সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা জানুয়ারিতে শুরু হতে পারে। যদিও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই অঞ্চলে উত্তেজনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের দোষারোপ করেছেন।

ইউরোপীয় ও ইউরেশীয় বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী কারেন ডনফ্রিড সাংবাদদাতাদের বলেছেন যে, নেটো পূর্ব ইউরোপ এবং ইউক্রেনে যে কোনও সামরিক তৎপরতা ত্যাগ করার মস্কোর দাবি নিয়ে একটি নির্দিষ্ট তারিখে আলোচনা শুরু করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া সম্মত হবে।

তবে তিনি সতর্ক করেছেন যে, "আমরা স্পষ্ট করে দিয়েছি যে যেকোনো সংলাপ অবশ্যই পারস্পরিক ভিত্তিতে হতে হবে, রাশিয়ার কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আমাদের উদ্বেগকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে এবং তা হতে হবে আমাদের ইউরোপীয় মিত্র ও অংশীদারদের সাথে সম্পূর্ণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ।"

ডনফ্রাইড আরো বলেন, "আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, ইউরোপ ছাড়া ইউরোপীয় নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না।"

২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রাইমিয়ার উপদ্বীপকে একতরফাভাবে অধিগ্রহণের পর, পশ্চিমা হিসেব অনুসারে, রাশিয়া পূর্ব ইউক্রেনের সাথে তার সীমান্তে এক লক্ষ সৈন্য মোতায়েন করেছে। যুক্তরাষ্ট্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে রাশিয়া আগামী বছরের শুরুতে ইউক্রেনে আক্রমণ করতে পারে তবে পুতিন আক্রমণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিনা সে সম্পর্কে নিশ্চিত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দুই সপ্তাহ আগে একটি ভার্চুয়াল সম্মেলনের সময় পুতিনকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা রাশিয়ার বিরুদ্ধে মারাত্মক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে।

XS
SM
MD
LG