অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সহায়তা দিতে নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র


ইসরাইলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইয়েমেনের সানায় হুথি বিদ্রোহীদের সমবাশে দাঁড়িয়ে এক বালক। আগস্ট ২২, ২০২০। (ছবি- খালেদ আব্দুল্লাহ/ রয়টার্স)

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলায় নাজেহাল সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সাহায্য করতে গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী জাহাজ (ডেস্ট্রয়ার) এবং যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

পেন্টাগন জানিয়েছে, মঙ্গলবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিন আবুধাবির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন যায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে এক ফোনালাপে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

পেন্টাগনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইউএসএস কোল জাহাজটি “আবুধাবি বন্দরে হাজিরা (পোর্ট কল) দেওয়ার আগে আমিরাতের নৌবাহিনীর সঙ্গে যোগ দেবে”।

“প্রতিরক্ষা মন্ত্রী যুবরাজকে একটি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিষয়ও অবহিত করেন। সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত অংশীদার হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাশে থাকার বিষয়টি স্পষ্ট করেন তিনি”, বিবৃতিতে আরও বলা হয়।

এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি আবুধাবির এক তেল ডিপোতে হুথি বিদ্রোহীদের এক হামলায় তিনজন বিদেশি শ্রমিক নিহত হন।

এই ঘটনার এক সপ্তাহ পর সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাহিনী আবুধাবির দাফরা বিমানঘাঁটি থেকে হুথি বিদ্রোহীদের দুটি হামলা প্রতিহত করে।

তৃতীয় আক্রমণটি হয় সোমবার ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সফরকালে। সেদিন হুথি বিদ্রোহীদের ছোঁড়া রকেটটি সংযুক্ত আরব আমিরাত পাল্টা মিসাইল ছুঁড়ে ভুপাতিত করে।

হুথি বিদ্রোহীদের দমনে সৌদি আরবের নেতৃত্বে গঠিত জোটের অংশীদার সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই জোট ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে বিদ্রোহীদের দমনে কাজ করছে।

[এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য বার্তা সংস্থা এএফপি ও রয়টার্স থেকে নেওয়া হয়েছে]

XS
SM
MD
LG