অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে শিগগিরই শুরু হবে পাঁচ বছর বয়সীদের জন্য টিকা কার্যক্রম—স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক


স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। (ছবি- ইউএনবি)

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে বাংলাদেশে পাঁচ বছর থেকে তদূর্ধ্ব বয়সী প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম শিগগিরই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, “আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের শিক্ষার্থীদের টিকাকেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুত করতে বলেছি।”

সোমবার (৭ মার্চ) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা সংক্রান্ত এক জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, “প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের টিকার বিষয়ে আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছি। তাদের অনুমোদন পাওয়া মাত্রই আমরা কার্যক্রম শুরু করে দেব। আমরা ১২ বছরের উর্ধ্বে যারা আছে, সেসব শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়েছি। এবার আমরা ১২ বছরের নিচে এবং পাঁচ বছরের উর্ধে শিক্ষার্থীদের টিকা দেব। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখছি। তারা জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের তালিকা হচ্ছে। আমাদের প্রস্তুতি আমরা নিয়ে রাখছি।”

এ সময় প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের টিকাদানের সম্ভাব্য সময় জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এটা নির্ভর করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সিদ্ধান্তের ওপর। সেটি নিয়ে এখনি আমরা কিছু বলতে পারছি না।”

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সর্বনিম্ন পাঁচ বছর থেকে তদূর্ধ্ব বয়সী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনতে বয়সভিত্তিক ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা এবং টিকাকেন্দ্রের তথ্য প্রেরণে বিভাগীয় শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গণটিকায় প্রথম ডোজ নেওয়াদের দ্বিতীয় ডোজ ২৮ মার্চ

জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের আরও জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশের মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে প্রথম ডোজের আওতায় আনতে দেশব্যাপী “একদিনে এক কোটি কোভিড-১৯ টিকাদান” কার্যক্রমে প্রথম ডোজ নেওয়াদের দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ শুরু হচ্ছে আগামী ২৮ মার্চ থেকে। তিন দিনব্যাপী এই কার্যক্রম চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত।

তিনি বলেন, “আগামী ২৮ মার্চ থেকে প্রথম ডোজ নেওয়াদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইনে যারা প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তারা যেকোনো কেন্দ্রে এসেই দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে পারবেন। এই কার্যক্রমে দুই কোটি ২৫ লাখ টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।

জাহিদ মালেক বলেন, “গত ২৬ ফেব্রুয়ারির আগ থেকে ধরে ৯ দিনে তিন কোটির বেশি টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের ৭৫ ভাগ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। আর এখন পর্যন্ত ২২ কোটি টিকা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা টিকা ক্রয় এবং দেওয়ার পেছনে খরচ হয়েছে। কিছু টিকা আমাদের বাড়তি আছে। এসব টিকা বিভিন্ন দেশকে আমরা উপহার হিসেবে দেব।

XS
SM
MD
LG