অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে সহিংসতার সম্মুখীন নারীদের সহায়তা খুবই জরুরি—আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

বাংলাদেশের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক। (ছবি- ইউএনবি)
বাংলাদেশের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক। (ছবি- ইউএনবি)

বাংলাদেশে সহিংসতার সম্মুখীন নারীদের সহায়তা খুবই জরুরি। এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, “সহিংসতার প্রতিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যেকোনো পরিস্থিতিতেই বিচার ব্যবস্থাসহ সকল সেবা ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখা অপরিহার্য। এ ছাড়া নারীরা, বিশেষত যারা মহামারির সময়ে পারিবারিক ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার সম্মুখীন হয়েছেন, তাদের সহায়তা প্রদানের উপায় বের করা খুবই জরুরি।”

মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকার রেডিসন হোটেলে বাংলাদেশে জার্মান উন্নয়ন সংস্থার ৫০ বছর এবং “ইন সার্চ অব জাস্টিস: আনটোল্ড টেলস অব ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স সারভাইভারস” শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আনিসুল হক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার সরকার নারীর ক্ষমতায়নে এবং নারী নির্যাতন ও সহিংসতা বন্ধে বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইন ২০০০; পারিবারিক সহিংসতা [প্রতিরোধ ও সুরক্ষা] আইন ২০১০ এবং পারিবারিক সহিংসতা বিধিমালা প্রণয়ন করেছে। নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার ও একটি ব্যাপক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।”

আনিসুল হক বলেন, “২০২২ একটি বিশেষ বছর কারণ আমরা বাংলাদেশ এবং জার্মানির মধ্যে বন্ধুত্ব ও অংশীদারত্বের ৫০ বছর উদযাপন করছি। বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রথম দিকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি একটি। মুক্তিযুদ্ধের পরপরই যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের জন্য জার্মানির মতো শক্তিশালী দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি বলেন, “১৯৭২ সাল থেকে জার্মানি একটি প্রধান অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। দেশটি আমাদের অগ্রাধিকার খাত যেমন; প্রশাসন, জলবায়ু, জ্বালানি ও অন্য ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করে আসছে।”

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিয়োজিত জার্মানির রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রস্টার বলেন, “যারা এই হৃদয়গ্রাহী, চিত্তাকর্ষক ও কষ্টকর গল্পগুলো আমাদের বলেছে, এই বইটি শুধুমাত্র তাদের জন্য নয়। যারা কম সুবিধাপ্রাপ্ত, নির্যাতিত ও এখনো দুঃসময়ে দিনযাপন করছেন, বইটি তাদের সকলের অবস্থার প্রতিফলন।”

প্রখ্যাত অভিনয় শিল্পী ও এশিয়াটিক থ্রি-সিক্সটির কো-চেয়ারম্যান সারা যাকের বইটি থেকে কিছু অংশ অনুষ্ঠানে পড়ে শোনান।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জিআইজেড বাংলাদেশের রুল অব ল প্রোগ্রামের হেড অব প্রোগ্রাম প্রমিতা সেনগুপ্ত এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভলপমেন্টের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. ইমরান মতিন এবং আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার প্রমুখ।

XS
SM
MD
LG