অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

‘পুতিনের যুদ্ধে’ ভর্তুকি দিবেন না বাইডেন - রাশিয়া থেকে জ্বালানী আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা


ফাইল - রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর ভ্লাদিভোস্টকের বাইরে সমুদ্রে রাশিয়ার একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার দেখা যাচ্ছে। ৯ অক্টোবর ২০১৭।

ইউক্রেনে আক্রমণ চালানোর কারণে রাশিয়া থেকে তেল ও অন্যান্য জ্বালানী আমদানী মঙ্গলবার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

রাশিয়ার তেল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তটির প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দাদের উপরও পড়বে উল্লেখ করে বাইডেন বলেন, “(রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির) পুতিনের যুদ্ধের ভর্তুকি প্রদানের অংশ আমরা হব না”।

মঙ্গলবার একটি টুইট বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি, রাশিয়ার জ্বালানী নিষিদ্ধের মাধ্যমে “পুতিনের যুদ্ধযন্ত্রের একেবারে মূল জায়গায় আঘাত” করার জন্য বাইডেনকে ধন্যবাদ জানান।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও রাশিয়ার অর্থনীতিকে বিচ্ছিন্ন করতে বাইডেন ইউরোপের মিত্রদের সাথে কাজ করছেন, যারা রাশিয়ার তেলের উপর আরও অনেক বেশি নির্ভরশীল। রাশিয়ার অর্থনীতি তেল ও গ্যাস রপ্তানীর উপর প্রচন্ড পরিমাণে নির্ভর করে।

ব্রিটেন মঙ্গলবার ঘোষণা দেয় যে, দেশটি ২০২২ সালের শেষ নাগাদ রাশিয়া থেকে তেল ও তেলজাত পণ্য আমদানী থেকে ধাপে ধাপে বেরিয়ে আসবে।

অপরদিকে, পোল্যান্ড জানিয়েছে যে, তাদের বিমানবাহিনী তাদের “সকল” মিগ-২৯ বিমানগুলো (জার্মানীতে অবস্থিত) র‌্যামসটাইন বিমানঘাঁটিতে “অবিলম্বে এবং বিনা খরচে মোতায়েন করতে প্রস্তুত আছে”, যেখানে “সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের হাতে সোপর্দ করা হবে”।

পেন্টাগনের প্রেস সচিব জন এফ কারবি মঙ্গলবার দিনের শেষে বলেন যে, পেন্টাগন “বিশ্বাস করে না যে পোল্যান্ডের প্রস্তাবটি একটি কার্যকর প্রস্তাব”।

কারবি প্রদত্ত বিবৃতিটি অনুযায়ী, “‘যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা’ জঙ্গিবিমান জার্মানীর কোন যুক্তরাষ্ট্র/নেটো ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করে, রাশিয়ার সাথে বিবাদমান ইউক্রেনের ওপরের আকাশসীমায় প্রবেশ করবে, এমন সম্ভাবনা সমগ্র নেটো জোটের জন্য গুরুতর উদ্বেগের সৃষ্টি করে। এটা আমাদের কাছে একেবারেই পরিষ্কার নয় যে, তেমনটা করার জন্য যথেষ্ট কি কোন যুক্তি রয়েছে।” বিবৃতিটিতে আরও বলা হয় যে, যুক্তরাষ্ট্র “পোল্যান্ড এবং আমাদের নেটো মিত্রদের সাথে এই বিষয়টি এবং এটির সাথে সম্পর্কিত জটিল সরবরাহ ব্যবস্থা বিষয়ে সলাপরামর্শ করা চালিয়ে যাবে।”

XS
SM
MD
LG