বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বাতাসের মান এখনো “অস্বাস্থ্যকর” অবস্থায় রয়েছে। বুধবার (২৩ মার্চ) দুপুর ১টায় ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) ১৭০ রেকর্ড করা হয়েছে। এই ইনডেক্স অনুযায়ী দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান তৃতীয়।
অন্যদিকে পোল্যান্ডের ওয়ারশ ও ক্রাকো যথাক্রমে ১৭৭ এবং ১৭১ একিউআই স্কোর নিয়ে শীর্ষ দুটি স্থান দখল করেছে।
একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ২০০ হলে বিশেষ করে সংবেদনশীল মানুষের জন্য “খারাপ” বলে মনে করা হয়।
২০১ থেকে ৩০০–এর মধ্যে একিউআই স্কোর “খারাপ” বলা হয় এবং ৩০১ থেকে ৪০০ স্কোর “ঝুঁকিপূর্ণ” বলে বিবেচিত হয়। যা মানুষের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের জন্য কোন ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা জানায়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ এবং ওজোন (ও৩)।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণের মধ্যে রয়েছে। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়। তারপরও গ্রীষ্মে ঢাকার বাতাস “অস্বাস্থ্যকর” থাকে।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, বিশ্বব্যাপী প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন দূষিত বাতাসে শ্বাস নেন এবং বায়ু দূষণের কারণে প্রতি বছর প্রধানত নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশে আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে।