অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

লিবিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বীদের লড়াইয়ে ত্রিপোলি অশান্ত

লিবিয়ার ত্রিপোলিতে প্রো-পিএম ডিবেইবাহ সংবিধান সুরক্ষা বাহিনীর অন্তর্গত ভারী অস্ত্র সহ সামরিক যানবাহনগুলিকে দেখা যাচ্ছে। ১৭ই মে, ২০২২
লিবিয়ার ত্রিপোলিতে প্রো-পিএম ডিবেইবাহ সংবিধান সুরক্ষা বাহিনীর অন্তর্গত ভারী অস্ত্র সহ সামরিক যানবাহনগুলিকে দেখা যাচ্ছে। ১৭ই মে, ২০২২

মঙ্গলবার লিবিয়ার রাজধানীতে সংঘর্ষ শুরু হয় যখন সংসদ-নিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ফাথি বাশাঘা ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকারকারী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রশাসনের কাছ থেকে সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

তার অফিস জানিয়েছে, লিবিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রশাসনের মধ্যে দুই মাসের অচলাবস্থার পর বাশাঘা রাতারাতি ত্রিপোলিতে প্রবেশ করেন, কিন্তু রাজধানীতে যুদ্ধের কারণে কয়েক ঘণ্টা পরে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন।

এই সংকট দুই বছরের তুলনামূলক শান্তির পর লিবিয়াকে আবারো দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে নিমজ্জিত করছে, অথবা বাশাঘার পূর্বাঞ্চল -সমর্থিত সরকার এবং আবদুলহামিদ আল-দ্বিবাহার অধীনে ত্রিপোলি প্রশাসনের মধ্যে আবার বিভাজন তৈরি করছে।

অচলাবস্থা ইতোমধ্যেই লিবিয়ার তেল স্থাপনাগুলোতে আংশিক অবরোধের দিকে নিয়ে গেছে , এর বৈদেশিক রাজস্বের প্রধান উত্স অর্ধেকে নেমে এসেছে । সংকট নিরসনে বা নতুন নির্বাচনের জন্য কূটনীতি ধীরগতিতে অগ্রসর হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকালে ভারি অস্ত্র এবং স্বয়ংক্রিয় বন্দুকযুদ্ধের শব্দ রাজধানীতে আঘাত হানে বিধ্বস্ত, স্কুলগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সাধারণ সময়ের ভারী ট্র্যাফিকও রাস্তায় ছিল না।

তবে কেন্দ্রীয় অঞ্চলে, ত্রিপোলির উত্তর-পূর্ব দিকের সংঘর্ষের এলাকা থেকে দূরে, বাশাঘার প্রতিদ্বন্দ্বী ডিবেইবাহ সরকার যারা এখনও আপাত নিয়ন্ত্রণে, সেখানে সামরিক তৎপরতার তেমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বাশাঘা সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার আশায় সহযোগী যোদ্ধাদের সাথে রাতারাতি ত্রিপোলিতে প্রবেশ করেছিল কিন্তু দ্রুতই ডিবেইবাহর সাথে সংযুক্ত বাহিনীর বিরোধিতার মুখোমুখি হয়েছিল। ডিবেইবাহকে গত বছর জাতিসংঘ-সমর্থিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়েছিল।

বাশাঘার কার্যালয় একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছিল যে তার সরকার রাজধানীর অভ্যন্তরে থেকে তাদের দায়িত্ব পালন করবে তবে পরে বলে যে তিনি এবং তার সাথে থাকা মন্ত্রীরা বেসামরিক মৃত্যু রোধ করতে সে স্থান ত্যাগ করবেন।

২০১১ সালের নেটো-সমর্থিত বিদ্রোহ যা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করে তখন থেকেই লিবিয়ায় তেমন কোন নিরাপত্তা নেই। ২০১৪ সালে দেশটি প্রতিদ্বন্দ্বী পূর্ব এবং পশ্চিম উপদলগুলির মধ্যে বিভক্ত হয় এবং ২০২০ সালের যুদ্ধবিরতির আগে যা একটি ভঙ্গুর ঐকমত্যের সরকারের অধীনে দেশটিকে নিয়ে আসে লিবিয়ায় তেমন কোনই নিরাপত্তা ছিল না।

This item is part of
XS
SM
MD
LG