অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

এলডিসি থেকে বেরিয়ে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা চায় বাংলাদেশ: ডব্লিউটিও’র বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি


বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হওয়ার পর, বাংলাদেশসহ এলডিসিভুক্ত দেশের জন্য শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা আরও কয়েক বছর অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

টিপু মুনশি বলেন, “২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের বের হওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর, বাংলাদেশ আর শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা পাবে না। তাই, এলডিসির পক্ষ থেকে ডব্লিউটিওতে দেয়া শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সদর দপ্তরে, সংস্থার ১২তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে রবিবার (১২ জুন) প্রথম দিনের বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এ দাবি জানান।

টিপু মুনশি বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী খাদ্য ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। তাই, মানুষের বেঁচে থাকার জন্য বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্যের ওপর হঠাৎ করে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ ঠিক হবে না। রপ্তানি বন্ধ করতে হলে, আমদানিকারক দেশকে অব্যশই নির্দিষ্ট একটা সময়ের আগে তা জানাতে হবে। হঠাৎ করে খাদ্যজাত পণ্য রপ্তানি বন্ধ করার কারণে অনেকে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।”

বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “মৎস্যখাতে ভর্তুকি প্রদানের সুযোগ চায় বাংলাদেশ। আমরা মনে করি, উন্নয়নশীল দেশের মৎস্যখাতের দজ্ঞতা বৃদ্ধির জন্য, এই খাতে ভর্তুকি দেয়াটা জরুরি। অনেক উন্নয়নশীল দেশের বিপুল সংখ্যক গরীব মানুষ তাদের জীবিকার জন্য মৎস্য খাতে জড়িত। তাই, স্বল্পোন্নত দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবিকা টিকিয়ে রাখার জন্য, মৎস্যখাতে ভর্তুকি প্রদানের সুযোগ রাখার প্রয়োজন রয়েছে।”

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি হ্রাসে, এলডিসিভুক্ত দেশকে সরকারি পর্যায়ে বড় আকারে খাদ্য মুজদ করার মত সুযোগ রাখা প্রয়োজন। কৃষিসহ ডব্লিউটিও’র অন্যান্য যেকোন সংস্কার বাংলাদেশ সমর্থন করবে। সংস্কার অব্যশই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বচ্ছ হতে হবে, যেখানে সবার মতামত দেয়ার সুযোগ থাকবে। প্রতিটি সদস্যের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিতে হবে।”

ডব্লিউটিও’র ১৬৪ দেশের বৈঠকে, বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

XS
SM
MD
LG