অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা এক কোটি ২১ লাখের বেশি: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম


মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী রেজাউল করিম

ঈদুল আযহায় কোরবানি উদযাপনে পরিপূর্ণ প্রস্তুতি আছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।এবার কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা এক কোটি ২১ লাখ ২৪ হাজার ৩৮৯টি বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) রাজধানী ঢাকার ফার্মগেটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত, ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে, কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ ও পরিবহন নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রী এ কথা জানান।

রেজাউল করিম বলেন, “অন্যান্য বছরের মত এবারও কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপন করা হয়েছে। কোরবানির চাহিদার চেয়ে অতিরিক্ত পশু প্রস্তুত আছে। এবার কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা এক কোটি ২১ লাখ ২৪ হাজার ৩৮৯টি। ফলে, কোন রকম সংশয়, সংকট বা শঙ্কার কারণ নেই। কোরবানির হাটে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা হবে। রোগগ্রস্ত পশু হাটে বিক্রি করতে দেয়া হবে না। ক্রেতা-বিক্রেতা কেউ হয়রানির শিকার হবেন না, ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত সদস্য নিয়োগ করা হবে। আমরা সুন্দরভাবে আসন্ন ঈদুল আযহা উদযাপন করতে চাই।”

প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, “কোরবানির পশুর জন্য অতীতে পরমুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হতো। এখন, এ খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। মাংসে আমাদের স্বয়ংসম্পূর্ণতা এসেছে।”

শ ম রেজাউল করিমবলেন, “গতবছর অনলাইন প্লাটফর্মে প্রচুর গবাদিপশু বিক্রি হয়েছিল। এ বছরও এই পদ্ধতি অব্যাহত থাকবে, যা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্য সুখকর অবস্থা তৈরি করবে। অনলাইনে ক্রয়কৃত গরু পছন্দ না হলে টাকা ফেরত নেয়ার ব্যবস্থাও এবছর সংযোজন করা হচ্ছে। যাতে ক্রেতারা কোনভাবেই প্রতারিত না হয়।”

মন্ত্রী রেজাউল করিম আরও বলেন, “সিলেট-সুনামগঞ্জ অঞ্চলে সাম্প্রতিক বন্যার কারণে গবাদিপশু কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে গবাদিপশুর খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে, চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করার বিষয়টি নিয়েও চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। কোরবানির সময় যাতে ঐ অঞ্চলে যাতে অন্য অঞ্চল থেকে পশু যেতে পারে সে ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

XS
SM
MD
LG