অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের বিভিন্ন গ্রামে ঈদ উদযাপন


সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের বিভিন্ন গ্রামে ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে, বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, বরিশাল ও চাঁদপুর জেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা শনিবার (৯ জুলাই) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন।

সৌদি আরবসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে শনিবার উদযাপিত হচ্ছে কোরবানির উৎসব। তবে বাংলাদেশে রবিবার ঈদ উদযাপনের কথা রয়েছে।

সাতক্ষীরায় বাউখোলাসহ সদর উপজেলার ২০টি গ্রামের মানুষ ঈদ উদযাপন শুরু করেছেন। সকাল ৮টায় সাতক্ষীরা সদরের বাউখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ইমাম মহব্বত আলী অল্প সংখ্যক মুসল্লি নিয়ে জামাত পরিচালনা করেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে, মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন।

শেখর ইউনিয়নের সহসরাইল, মাইটকোমরা, রাখালতলী, গঙ্গানন্দপুর, বড়গাঁ, দুর্গাপুর এবং রূপাপাত ইউনিয়নের কাটাগড় ও কলিমাঝির মুসলমানরা ঈদ উদযাপনের সময় সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ অনুসরণ করেন।

প্রতি বছরের মতো এবারও, রাখালতলী, মাইটকোমরা ও সহসরাইলে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চাঁদপুরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শনিবার জেলার ৪০টি গ্রামের বাসিন্দারা ঈদ উদযাপন করছেন। সকালে হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা গ্রামে, সাদ্রা সিনিয়র মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

বরিশালে জেলার ছয় উপজেলার কয়েকটি গ্রামেও ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।

সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত বাবুগঞ্জ, হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, বাকেরগঞ্জ ও বরিশাল মহানগরীর তিন এলাকার, প্রায় ২০ হাজার মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন।

বরিশাল নগরীর শাহ সুফি জাহাগিরি মসজিদের সভাপতি আমিনুদ্দিন কালু বলেছেন, “সরকারের নির্দেশনা মেনে এবং করোনার স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত সব প্রোটোকল বজায় রেখে ঈদ-জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।”

XS
SM
MD
LG