অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল


কাজী হাবিবুল আউয়াল

বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল তলোয়ার নিয়ে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) রাজধানী ঢাকার নির্বাচন ভবনে ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে চলমান সংলাপে তিনি এই ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সিইসি বলেন, “মাঝে মাঝে আমরা ভুল করি। এর জন্য দুঃখিত। আমি হাস্যরসের জন্য এটা বলেছিলাম। আমি এমনটা বলতে চাইনি। দয়া করে এর জন্য আমাকে ক্ষমা করুন।”

রবিবার (১৭ জুলাই) ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির সঙ্গে আলোচনার সময় এক মন্তব্যের পর সমালোচনার মুখে পড়েন সিইসি।

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, “আপনাদের বুঝতে হবে যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কখনই এটিকে সিরিয়াসলি বলতে পারেন না। আমি হয়তো কম শিক্ষিত। একজন স্বল্প শিক্ষিত ব্যক্তিও এ ধরনের কথা বলতে পারে না। আমি এটা রসিকতা হিসেবে বলেছি।”

কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, “একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কখনই সত্যিকার অর্থে এমন কথা বলতে পারে না। যদি আমি তা করতাম, তাহলে আমি প্রথম দিন থেকেই সবাইকে অস্ত্র সংগ্রহ করতে বলতাম। আপনারা অস্ত্র সংগ্রহ করুন এবং নিজেকে শক্তিশালী করুন। আমি কখনও এটি বলিনি। আমরা প্রায়ই বলি, ইংরেজিতে একটি শব্দ আছে সহিউমার, যার অর্থ রস বা রসিকতা।”

মঙ্গলবার সিইসি রাজনৈতিক দলগুলোকে দৃঢ় মনোবল ও শক্তি নিয়ে মাঠে নামার পরামর্শ দেন। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে আন্তঃদলীয় সংলাপ করতে বলেন এবং কিছু প্রশ্নে মতৈক্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে বলেন; কারণ এটি একটি বড় সমস্যা।” তিনি বলেন, “সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া নির্বাচন কমিশনের একার পক্ষে এ সমস্যার সমাধান করা কঠিন হয়ে পড়ে।”

ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনীর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেয়। এসময় চার নির্বাচন কমিশনার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার সকালে, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সঙ্গে বৈঠকের কথা ছিল। দলটি সংলাপে যোগ দেয়নি। এর আগে, বাংলাদেশ মুসলিম লীগও সংলাপে অংশ নেয়নি।

এ পর্যন্ত আটটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। ৩১ জুলাই পর্যন্ত আরও ২৯টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে বসার কথা রয়েছে।

XS
SM
MD
LG