অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চীনের সাথে রেলপথকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সম্ভাবনা হিসেবে দেখছে উজবেকিস্তান ও কিরগিজস্তান


চংকিং রেলপথ বন্দর স্টেশনে চায়না রেলওয়ে এক্সপ্রেসের কন্টেইনার বহনকারী এক রেলগাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে আছেন এক কর্মী, ৩০ মার্চ ২০১৯।

চীন, কিরগিজস্তান এবং উজবেকিস্তান-এর মধ্যকার সর্বসাম্প্রতিক আলোচনায় এমন আশার পুনঃসঞ্চার হয়েছে যে, এই তিন দেশকে সংযোগকারী এক উচ্চাভিলাষী রেল প্রকল্পের পরিকল্পনা হয়ত অবশেষে বাস্তবে পরিণত হতে চলেছে। তবে এই প্রকল্পের ইতিহাস প্রায় দুই দশক ধরে আরম্ভ করার ব্যর্থতা ও আশা ভঙ্গে জর্জরিত হয়ে আছে।

সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে গত সপ্তাহে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উজবেকিস্তানের রাজধানী তাশখন্দ সফর করেন। ৩০ জুলাইতে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়্যাং ই-র সাথে এক বৈঠকের পর, কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট সাদির ইয়াপারভ-এর দফতর জানায় যে, উজবেকিস্তানের সমরকন্দে সেপ্টেম্বরের ১৫-১৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য এসসিও সম্মেলনে কিরগিজস্তান এমন চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে ইচ্ছুক।

কিরগিজস্তানের কর্মকর্তারা বলেন, ওয়্যাং নিজেও তাদেরকে বলেছেন যে চীন ঐ সম্মেলনে চুক্তি সম্পাদনের কথা বিবেচনা করছে।

ইয়াপারভের সাথে বৈঠকের পর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রক বলে, “চীন-কিরগিজস্তান-উজবেকিস্তান (সিকেইউ) রেলপথ নির্মাণের জন্য পরিস্থিতি ও সময় অনুকুল হয়ে উঠছে এবং চীনের প্রথম দফার বিশেষজ্ঞরা নির্মাণ এলাকা সমীক্ষা করতে সাম্প্রতিককালে কিরগিজস্তানে এসে পৌঁছেছেন এবং রেলপথটির নির্মাণ প্রক্রিয়া আরম্ভ হয়েছে। সমীক্ষার গতি বৃদ্ধি করতে কিরগিজস্তান ও উজবেকিস্তানের সাথে কাজ করতে চীন প্রস্তুত রয়েছে।”

আগামী বছর নির্মাণ কাজ আরম্ভের বিষয়ে আস্থা ব্যক্ত করে, দুই মাস আগে ইয়াপারভ বলেন, “কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। আমাদের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।”

উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিয়োয়েভ বলেন যে, বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছনোর জন্য এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ।

ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়ন (ইইইউ) এর বৈঠকে ২৭ মে মিরজিয়োয়েভ বলেন, “চীন-কিরগিজস্তান-উজবেকিস্তান রেলপথটি আমাদেরকে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোর সাথে যুক্ত করবে, যার ফলে নতুন অর্থনৈতিক সুযোগের পথ তৈরি হবে। বিদ্যমান পূর্ব-পশ্চিম রেলপথের জন্য এটি খুবই ভাল এক সংযুক্তি হবে।” কিরগিজস্তান ইইইউ-এর একটি পর্যবেক্ষক দেশ।

XS
SM
MD
LG